ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ‘বাংলা কিউআর’ চালু, 

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৮:১০ পিএম

দেশে ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন সম্প্রসারণে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে ‘বাংলা কিউআর’ সেবা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এর ফলে টিউশন ফি, ক্যাফেটেরিয়া, খুচরা দোকানসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ধরনের আর্থিক লেনদেন এখন থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে আরও সহজে করা যাবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেবাটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার, বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের পরিচালক এ.এন.এম. মইনুল কবির ও মো. শরাফাত উল্লাহ খান, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

উদ্বোধনের পর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন গভর্নর। এ সময় তিনি বাংলা কিউআর, ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা এবং ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এই উদ্যোগের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের টিউশন ও অন্যান্য একাডেমিক ফি, ক্যাফেটেরিয়া ও খুচরা দোকানের বিলসহ দৈনন্দিন বিভিন্ন পরিশোধ বাংলা কিউআর এবং অন্যান্য ডিজিটাল ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে করা যাবে।

বাংলা কিউআর দেশের একটি সমন্বিত কিউআরভিত্তিক পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে যেকোনো ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) গ্রাহক একটি মাত্র কিউআর কোড স্ক্যান করে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন লেনদেনকে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। দেশের প্রথম ক্যাশলেস ক্যাম্পাস গড়ে তোলার যাত্রায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অংশীদার হতে পেরে ব্যাংকটি গর্বিত। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে উদ্ভাবনী ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ও অর্থনীতি গঠনে বাংলা কিউআর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে এর সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে ইন্টারনেট সংযোগ ও স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারের সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের জাতীয় ক্যাশলেস কৌশল বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং আধুনিক ক্যাশলেস অর্থনীতি গঠনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত