পটুয়াখালীর বাউফল প্রেসক্লাবের সামনে ব্যবসায়ী মো. ফরিদ তালুকদার, তার স্ত্রী ও ছেলের ওপর হামলার অভিযোগে বিএনপির নেতা মাসুম বিল্লাহপলাশসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) ফরিদ তালুকদারের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার বাদী হয়ে বাউফল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার প্রধান আসামি মাসুম বিল্লাহ পলাশ বাউফল পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাউফল প্রেসক্লাবের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ব্যবসায়ী ফরিদ তালুকদার (৫২), তার স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (৪৫) ও ছেলে মো. আলিফ তালুকদার (২৩) আহত হন। ফরিদ তালুকদার এএফ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শিল্পপতি প্রকৌশলী এ কে এম ফারুক আহমেদ তালুকদারের ছোট ভাই।
স্থানীয় সাংবাদিক ও ভুক্তভোগীরা জানায়, নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নিজের প্রার্থিতা জানান দিতে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে বাউফল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ফরিদ তালুকদার। মতবিনিময় সভাটি সাংবাদিকরা ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করেন।
ফরিদ তালুকদারের অভিযোগ, ওই ফেসবুক লাইভকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে নাজিরপুর ইউপি নির্বাচনের অপর সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ পলাশের নেতৃত্বে একদল লোক তাদের ওপর হামলা চালায়। কিলঘুষি মারে। পরে সাংবাদিকদের সহায়তায় আমরা প্রেসক্লাবের ভেতরে আশ্রয় নিলে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে মাসুম বিল্লাহ পলাশ বলেন, ‘আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। বরং আমার ওপর ফরিদ তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর তালুকদার ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহদপ্তর সম্পাদক সফল মাস্টারের নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে কোনো ঘটনা ঘটেনি।
