গ্রেপ্তার দেখানো হলো রিজেন্টের সাহেদকে

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১২ এএম

২৩ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের মামলায় গত ৩ মে এক বছরের কারাদ-াদেশ দেওয়া হয়েছিল রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে। গতকাল রবিবার এ মামলার তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ৩ মে রায় এ রায় দিয়েছিলেন ঢাকার ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম। রায়ে চেকের সমপরিমাণ অর্থ জরিমানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় সাহেদের বিরুদ্ধে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী দবির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, একই ঘটনায় ২০২০ সালের ১৬ জুলাই সিএমএম (চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) আদালতে আরেকটি মামলা হয়েছিল সাহেদের বিরুদ্ধে। তবে, সেই মামলার বিষয়ে তারা জানলেও চেক ডিজঅনারের এ মামলার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না। সাহেদের অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা হয়। গতকাল এ মামলায় জামিন আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী সরবরাহের জন্য বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহারের সঙ্গে সাহেদের চুক্তি হয়েছিল।

শুরুতে কিছু অর্থ নগদ পরিশোধ করলেও পরে চেকের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করতেন। নির্মাণসামগ্রীর মূল্য পরিশোধে সাহেদ ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর উত্তরা ব্যাংকের বংশাল থানার নবাবপুর শাখার ২৩ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার একটি চেক দেন। ২০২০ সালের ৫ মে চেকটি নগদায়নের জন্য ব্যাংকে উপস্থাপন করলে হিসাবটিতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেটি ফেরত দেওয়া হয়।

পরে একই বছরের ২ জুন এক মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধের জন্য সাহেদকে আইনি নোটিস পাঠানো হলেও অর্থ পরিশোধ না করায় ওই বছরের ২০ জুলাই এ মামলাটি হয়।

গত ২০ জুলাই মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের একটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত