বিজ্ঞানী, শিল্পোদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের (পিসি রায়) জন্মভিটা সংরক্ষণে দ্রুত সীমানা প্রাচীর ও জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন। গতকাল রবিবার খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলীতে পিসি রায়ের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার জন্মভিটা সংলগ্ন চত্বরে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, পিসি রায় শুধু বিজ্ঞানী ছিলেন না, তিনি শিল্পোদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক হিসেবেও অসামান্য অবদান রেখেছেন। এডিনবার্গে উচ্চশিক্ষা শেষে দেশে ফিরে তিনি কলকাতায় শিক্ষকতা করেছেন। তবে নিজের জন্মভূমি রাড়ুলী ও এ অঞ্চলের মানুষের কথা ভুলে যাননি। তার অবদান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে হবে। অনুষ্ঠানে পিসি রায়ের জন্মভিটা সংরক্ষণে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, সেখানে মেলার আয়োজন এবং তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
এসব বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে মো. আবদুল্লাহ হারুন বলেন, ‘এগুলো খুব বড় বিষয় নয়। দরকার শুধু উদ্যোগ। ইউএনও উদ্যোগ নিলেই সীমানা প্রাচীর করতে পারেন। এখানে একটি ছোট জাদুঘর করার ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব।’ জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পাইকগাছার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী, বিএনপির উপজেলা সভাপতি ডা. আব্দুল মজিদ, জামায়াতের জেলা টিমের সদস্য মো. আব্দুল মোমিন সানা প্রমুখ ।
