বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । একই সঙ্গে এলএনজি ও এলপিজি খাতে সহযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) উদ্যোগ জোরদারের বিষয়েও দুই পক্ষ মতবিনিময় করেছে।
মঙ্গলবার (৪ জুলাই) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর এরিক গিলান। এ সময় দূতাবাসের ইকোনমিক অফিসার জোসেফ বোস্কিও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে এলএনজি ও এলপিজি খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করা এবং একটি এমওইউর মাধ্যমে সহযোগিতাকে আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় আনার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
আলোচনায় বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সরকার-টু-সরকার সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ও উঠে আসে। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরকে সামনে রেখে এসব উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন উভয় পক্ষ।
বৈঠকে বিদ্যমান সহযোগিতার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং সেগুলো কাটিয়ে ওঠার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সম্ভাব্য অংশীজনদের নিয়ে দ্রুত পরবর্তী বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দেন জ্বালানি মন্ত্রী।
বৈঠকে ইকবাল হাসান মাহমুদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এরিক গিলানও বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
