যে পরিকল্পনায় সেঞ্চুরি করলেন মিরাজ

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ পুরনো রোগে ভুগেছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ডারউইনে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত, সাদমান ইসলামরা। তরুণ ব্যাটসম্যান তানজিদ হাসান তামিমের মতো রানের খাতা খুলতে পারেননি দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমও।

ব্যতিক্রম শুধু মেহেদী হাসান মিরাজ। অপরাজিত সেঞ্চুরিতে সফরকারীরের উদ্ধার করেন তার। তার ১০৯ রানের অনবদ্য ইনিংসের সৌজন্যে অলআউট হওয়ার আগে ২৬৩ রান করেন বাংলাদেশ দল।

প্রথম দিনের খেলা শেষে শতক হাকানো ইনিংস নিয়ে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন মিরাজ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় বলেন, 'প্রথম দিকে একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমি শুধু চেষ্টা করেছি মেরিট অনুযায়ী খেলার জন্য। ওদের বোলাররা খুব ভালো জায়গায় বোলিং করেছে। আমার জন্য একটু কঠিন ছিল, যেহেতু এই প্রথম এই কন্ডিশনে খেলছি। আমি এডজাস্ট করে নিতে চেষ্টা করেছি। জুটি গড়ার চেষ্টা করেছি। প্রথম দিকে রানের জন্য খেলিনি। চেষ্টা করেছি কীভাবে উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায়। পরে যখন সুযোগ পেয়েছি, রান করা সহজ হয়েছে। এভাবেই চিন্তা করেছি।'

দলীয় ৩ রানে আউটন হন তামিম। এরপর বাঁহাতিদের ওপর দাপট দেখান অফস্পিনার কোরি রকচিওলি। সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হককে ফিরিয়ে টপ অর্ডার ভেঙে দেন তিনি। অধিনায়ক শান্ত ৩৭ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ক্যাম্পবেল থম্পসনের শিকার হন। মুশফিকুও রকচিওলির বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ১০৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে দল।

তবে সাতে নম্বরে নামা মিরাজ একাই খেলার পাশা বদলে দেন। ১৪১ বলে ১১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১০৯ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন তিনি। নিচের দিকের ব্যাটাররা দ্রুত বিদায় নিলে ১৯৪ রানে ৯ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ উইকেটে খালেদ আহমেদকে সাথে নিয়ে দুর্দান্ত এক জুটি গড়েন মিরাজ। ভারত বংশোদ্ভুত স্পিনার জারসি ওয়াদিয়াকে বাউন্ডারি মেরে নিজের সেঞ্চুরি পূরণ করেন এই অলরাউন্ডার। এই সেঞ্চুরি আরো আত্মবিশ্বাসী করেছে তাকে, 'যেহেতু সামনে টেস্ট ম্যাচ আছে, এটা (সেঞ্চুরি) আমাকে আত্মবিশ্বাস দেবে। আমি যে মাইন্ড সেট-আপে ছিলাম, এটা যদি অব্যাহত রাখতে পারি, আমার জন্য ভালো হবে। দলের জন্যও ভালো হবে।'

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত