বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা চায় চসিক

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। প্রস্তাবিত স্যানিটারি ল্যান্ডফিল প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন আনতে চায় সংস্থাটি।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নগর ভবনে কোরিয়া এনভায়রনমেন্টাল ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের (কেইআইটিআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই প্রত্যাশার কথা জানান সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বৈঠকে সংস্থাটির পরামর্শক হং ও চোয়ে অংশ নেন।

বৈঠকে স্যানিটারি ল্যান্ডফিল প্রকল্পের সম্ভাব্যতা, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। কেইআইটিআই পরামর্শকরা জানান, প্রকল্পটি সফল করতে চসিকের প্রশাসনিক ও নীতিগত সহযোগিতা জরুরি।

নগরীর বর্জ্য নিষ্কাশন প্রসঙ্গে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আধুনিক নগর পরিচালনায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। পরিবেশ সুরক্ষা ও নগরবাসীর স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মানের স্যানিটারি ল্যান্ডফিল গড়ে তোলা সময়ের দাবি। আমরা পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি।’

মেয়র আরও বলেন, ‘এ প্রকল্প কেবল বর্জ্য অপসারণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং বর্জ্য থেকে সম্পদ পুনরুদ্ধার ও পুনর্ব্যবহারের (রিসাইক্লিং) নতুন পথ তৈরি করবে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও কোরিয়া দূতাবাসের সহযোগিতায় প্রকল্পটি চালু হলে চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।’

প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুযায়ী, নগরীর বিদ্যমান দুটি উন্মুক্ত ডাম্পিং সাইট পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে তা পরিবেশসম্মতভাবে পুনর্বাসন করা হবে। একই স্থানে বিশ্বমানের স্যানিটারি ল্যান্ডফিল গড়ে তোলা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মে মাসে বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এ প্রকল্পের সহায়তা চেয়ে কোরীয় দূতাবাসে আনুষ্ঠানিক আবেদন পাঠায়। চসিকের আশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরবাসী দীর্ঘমেয়াদি ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশের সুবিধা পাবেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত