সবুজ মাঠের জাদুকরি নৈপুণ্যের পাশাপাশি তাদের সম্পদের পাহাড় গড়ার গল্পও কম চমকপ্রদ নয়। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’-এর সাম্প্রতিক তালিকা অনুযায়ী, কেবল গত এক বছরেই ৩০ কোটি ডলার বা ৩৭৫০ কোটি টাকা আয় করে ফুটবলার হিসেবে আয়ের সিংহাসনে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রেখেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
৪১ বছর বয়সী এই আল নাসরের ফরোয়ার্ড টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়ের ফুটবলারের মুকুট নিজের মাথায় রেখেছেন। এছাড়া বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ফুটবলারও তিনিই। ফোর্বসের তথ্যমতে, বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারজুড়ে রোনালদোর মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে ১২০ কোটি ডলার বা প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। গলফ কিংবদন্তি টাইগার উডসের ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ার পর এটি ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ আর্থিক সফলতার রেকর্ড।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসি গত এক বছরে আয় করেছেন ১৪ কোটি ডলার বা ১ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। মাঠের রেকর্ডের পাশাপাশি তার মোট সম্পদের পরিমাণও পৌঁছে গেছে ১১০ কোটি ডলার বা প্রায় ১৩ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার কাছাকাছি।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি সেনসেশন কিলিয়ান এমবাপ্পে গত এক বছরে আয় করেছেন ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ১ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা। বেতন এবং মাঠের বাইরে বিভিন্ন বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে বিজ্ঞাপনের কল্যাণে তার এই উত্থান। ফেইরমন্ট হোটেলস ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান অ্যালানের মতো ব্র্যান্ডের সঙ্গে নতুন বাণিজ্যিক চুক্তি এমবাপ্পের আয়ের পাল্লাকে আরও ভারী করেছে।
এদিকে চতুর্থ স্থানে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড গত এক বছরে আয় করেছেন ৮ কোটি ডলার বা ১০০০ কোটি টাকা। মাত্র ২৫ বছর বয়সে ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ খেলে আসা এই তরুণ ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম দামি ও মূল্যবান সম্পদ হিসেবে নিজের অবস্থান আরও পোক্ত করে রেখেছেন।
সেরা পাঁচের শেষ জায়গা করে নিয়েছেন ব্রাজিলের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের। রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ডের গত এক বছরের আয় ৬ কোটি ডলার বা ৭৫০ কোটি টাকা। স্প্যানিশ ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের অপ্রতিরোধ্য ফর্মের সুবাদে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক বাজারেও ভিনির কদর দিন দিন আকাশচুম্বী হচ্ছে।
ম্যাককালামের চোখে তার ‘চেয়েও ভালো’ কোচ ফ্লেমিং