বগুড়ার শেরপুর পৌরশহরের গোসাইপাড়ার বাসিন্দা স্বাক্ষর সরকার। তিন বছর আগে জেলার ধুনট উপজেলার মুক্তি সরকারকে বিয়ে করে সুখের সংসার শুরু করেছিলেন তিনি।
গত বছরের ৬ আগস্ট স্বাক্ষর ও মুক্তি সরকার দম্পতির ঘর আলো করে জন্ম নেয় কন্যাসন্তান ধারামনি। ছোট্ট শিশুটির আগমনে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছিল আনন্দের আবহ। তবে সেই সুখ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ জুন মাত্র ১১ মাস বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে যায় ধারামনি। এরপর থেকেই মেয়েকে হারানোর শোক যেন কিছুতেই কাটিয়ে উঠতে পারছিলেন না মুক্তি সরকার। ১১ মাস বয়সে ছোট্ট সন্তান ধারামনির মৃত্যু তাকে ভেতর থেকে কুঁড়েকুঁড়ে খাচ্ছিল।
স্বজনরা জানান, একমাত্র সন্তানকে হারানোর পর থেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন মুক্তি সরকার। মেয়ের স্মৃতি আঁকড়ে দিন কাটছিল তার। বৃহস্পতিবার ছিল ধারামনির জন্মদিন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) কন্যার মৃত্যুর ৩৭ দিন পর সেই কন্যার জন্মদিনে মেয়ের কথা বারবার মনে করে মুক্তি সরকার বিমর্ষ ছিলেন।
এরপর হঠাৎ স্ট্রোক করলে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। একমাত্র সন্তান হারানোর শোকেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
নিকুঞ্জের ‘অভিশপ্ত’ সেই রিকশা গ্যারেজে অভিযান, গ্রেপ্তার ১