বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্র্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কাছ থেকে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা অস্বীকার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। ব্যাপক বিতর্ক, সমালোচনা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহলের আপত্তির পর রাতে এ বিষয়ে মুখ খুলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
গতকাল সোমবার শিক্ষামন্ত্রীর ভ্যারিফায়েড ফেসবুক থেকে এক স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। এর সত্যটা নিশ্চিত করতে শিক্ষামন্ত্রীকে সোমবার রাত ১০টার দিকে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন, এনটিআরসিএর কার্যক্রম ও শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও সুন্দরভাবে কীভাবে পরিচালনা করা যায়, সে বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা অব্যাহত রেখেছে। ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি কর্র্তৃক শিক্ষক নিয়োগ প্রদানসংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। এ বিষয়ে কোনো অপতথ্য প্রচার না করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।
রাত ১০টায় শিক্ষাসচিব আব্দুল খালেক দেশ রূপান্তরকে বলেন, কীভাবে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করা যায় সে বিষয় এ কাজ চলছে।
এর আগে গত ৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্র্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার কার্যবিবরণীর সিদ্ধান্ত কলামে লেখার রয়েছে-১ (ক) ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্র্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’ অনুযায়ী, এখন থেকে এনটিআরসিএ কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে। ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী, আর নিয়োগ সুপারিশ করা না। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
১ (গ) ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯ হাজার ৮৪২ জন তাদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজ উদ্যোগে ০১ (ক)-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরিপত্র/প্রজ্ঞাপন সংশোধন/জারি করতে হবে।
