প্যারোলে মুক্তি নিয়ে কারাবন্দি দীপু মনির সঙ্গে মেয়ের সাক্ষাৎ

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ব্যারিস্টার তৌফীক নাওয়াজ। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ১০টা ২৭ মিনিটে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেন দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু।
আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
স্বামী ব্যারিস্টার তৌফীক নাওয়াজের মৃত্যুর পর কারাবন্দি মা ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে মুন্সিগঞ্জ কারাগারে গিয়েছেন তার মেয়ে তানি দীপাবলী নাওয়াজ। প্যারোলে মুক্তির সময় ও কত মেয়াদের আবেদন করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতেই এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার দুপুরে তানি দীপাবলী নাওয়াজ মুন্সিগঞ্জ কারাগারে পৌঁছান। বিষয়টি নিশ্চিত করে মুন্সিগঞ্জ জেলা জেল সুপার মো. জান্নাত উল ফারহাদ জানান, প্যারোলে মুক্তির প্রক্রিয়া ও আবেদনের সময়সীমা নিয়ে কারাবন্দি মায়ের সঙ্গে বিস্তারিত পরামর্শের জন্য তার মেয়েকে ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

দীপু মনির আইনজীবী মো. ফয়সাল হোসেন জানান, ব্যারিস্টার তৌফীক নাওয়াজের মৃত্যুতে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে প্যারোলে মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মুক্তির আবেদন অনুমোদনের ওপর ভিত্তি করেই প্রয়াত তৌফীক নাওয়াজের জানাজা ও দাফনের চূড়ান্ত সময় নির্ধারণ করা হবে। এই উদ্দেশ্যে আইনজীবী ও স্বজনরা বর্তমানে মুন্সিগঞ্জে অবস্থান করছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ব্যারিস্টার তৌফীক নাওয়াজ। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ১০টা ২৭ মিনিটে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেন দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) হওয়ার পর থেকেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন তৌফীক নাওয়াজ। অসুস্থ থাকা অবস্থায় গত ২৭ মে শেষবারের মতো হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দি স্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে দেখা করতে তাকে আদালতে নিয়ে আসা হয়েছিল। পেশায় তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী ছিলেন।

আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম সকালে জানান, দাফনের স্থান ও সময়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দীপু মনির উপস্থিত থাকা জরুরি। সে কারণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্যারোলে মুক্তির আবেদন জমা দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে আবেদন অনুমোদিত হলেই পরিবারের পক্ষ থেকে দাফনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে।
×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত