মিসরের ক্লাব আল আহলিকে ২-১ গোলে হারিয়ে জোহান গ্যাম্পার ট্রফির জিতে সফলভাবে প্রি-সিজন পর্ব শেষ করল বার্সেলোনা। ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে জয় পেলেও, রবার্ট লেভানডভস্কির উত্তরসূরি বা স্বীকৃত নম্বর নাইন পজিশন নিয়ে ক্লাবের খোঁজ অব্যাহত রয়েছে। তবে তরুণ ফরোয়ার্ড হামজা আবদেলকরিমের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স কোচ হান্সি ফ্লিকের স্বস্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ১৮ বছর বয়সী মিসরীয় ফরোয়ার্ড হামজা প্রথমার্ধেই বার্সেলোনার হয়ে গোল করেন। আলেহান্দ্রো বালদে ও রাফিনহার চমৎকার বোঝাপড়ায় বল পেয়ে নিখুঁত ট্যাপ-ইনে বল জালে জড়ান এই তরুণ। প্রি-সিজনে এটি ছিল তার চতুর্থ গোল। তবে সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে গোল করার পর সম্মান জানিয়ে তিনি কোনো উদ্যাপন করেননি।
তরুণ এই ফরোয়ার্ডের পারফরম্যান্স নিয়ে ম্যাচ শেষে কোচ হান্সি ফ্লিক বলেন, ‘হামজা একজন ভালো ফরোয়ার্ড। ক্রসে তার আক্রমণ করার ধরন দেখলে সেটি বোঝা যায়। আজ আমি দেখেছি সে বলও খুব ভালো ধরে রাখতে পেরেছে, যা দারুণ ব্যাপার। আমি তার কাছ থেকে ঠিক এটিই দেখতে চাই।’
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে রাফিনহা পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আল আহলির আহমেদ সায়েদ জিজো গোল করে ব্যবধান কমালে ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনা ফেরে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ব্যবধান বাড়ানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। ৯০ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন নতুন চুক্তি করা ইংলিশ ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডন, যার শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন আল আহলির গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল শেনাবি।
চলতি মৌসুমে লা লিগা শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামার আগে বার্সা স্কোয়াডে রদ্রি, অ্যান্থনি গর্ডন, করিম আদেয়েমি ও জেসি বিসিভুকে যুক্ত করেছে। এছাড়া জোয়াও ক্যানসেলোর দলবদলও প্রায় চূড়ান্ত। তবে আক্রমণভাগে লেভানডভস্কির প্রকৃত বিকল্প বা ব্যাকআপ হিসেবে একজন পরীক্ষিত নাম্বার নাইন স্ট্রাইকার খোঁজার কাজটি এখনো পুরোপুরি বন্ধ করেনি কাতালান ক্লাবটি।
বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে অবাক নয় অজিরা, তবে আক্ষেপ গ্রিনের কন্ঠে