এক ক্লিকেই ক্রেতার পছন্দের কালার

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম

চট্টগ্রামের হোটেল র‌্যাডিসন ব্লু বে ভিউতে গতকাল শুরু হয়েছে ‘চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো-২০২৬’। স্থপতি আশিক ইমরান আসেন এলিট পেইন্টের স্টলের সামনে। তিনি স্টলে রাখা মেশিনের সামনে গিয়ে তার প্যান্টের রঙ তৈরির আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় স্টলে থাকা ব্যক্তি ডিভাইস দিয়ে প্যান্টের কাপড় স্ক্যান করেন। এতে প্যান্টের রঙ চলে যায় মেশিনের সঙ্গে যুক্ত কম্পিউটারে। সেখানে এআই ক্লাউড ইমেজের মাধ্যমে তৈরি করে প্যান্টের রঙ, যা প্রিন্ট করে নেওয়াও সম্ভব।

অদ্ভুত এক মেশিন। চাহিদামাফিক যে কোনো রঙ তৈরি করে দিতে পারে। যেখানে ক্যাটালগ কোনো বিষয় নয়। ক্রেতা যেমন চাইবেন ঠিক তেমন রঙই করে দেওয়া হবে।

কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার শায়েনা হক  বলেন, ‘এই মেশিন দেশে আর কোনো কোম্পানির কাছে নেই। একমাত্র আমরাই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এই মেশিনটি দিয়ে রঙ তৈরির কাজ শুরু করেছি। যেখানে রঙের কোনো শেষ নেই। ক্যাটালগে আটকা থাকবে না রঙ। বরং ক্রেতা যেমন চাইবেন মুহূর্তেই আমরা তেমন রঙ বানিয়ে দিতে পারব।’

বিল্ড এক্সপোতে নতুন আরও একটি প্রোডাক্ট নিয়ে এসেছে এলিট পেইন্ট উল্লেখ করে শায়েনা হক বলেন, আমরা লোটাস সিল্ক নামের আরেকটি নতুন পেইন্ট এনেছি। তবে প্রিমিয়াম টেকনোলজির এই পেইন্ট একটু ব্যয়বহুল জানিয়ে তিনি বলেন, ঘরের ভেতরের দেয়ালে এটি ব্যবহার করা যাবে।

পেইন্টের বিশেষত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই পেইন্ট অন্য যেকোনো পেইন্টের তুলনায় বেশি শাইনিং। দেয়ালে পানি বা তরল জাতীয় কিছু পড়লে তা সরে যাবে। দেয়ালের ওপর পানি পড়লেও তা কোথাও জমে থাকবে না।

কত ধরনের কালার রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন প্রযুক্তির মেশিনটিতে কালার কোনো বিষয় নয়। ক্রেতা যা চাইবেন, তাই দেওয়া সম্ভব।

এদিকে বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের আয়োজনে গতকাল শুরু হওয়া চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো পরিণত হয়েছে আর্কিটেক্ট ও ক্রেতাদের মিলনমেলায়। এক্সপোতে ঢুকেই অনেকে ঢুঁ দিচ্ছেন এলিট পেইন্টের স্টলে এবং চেষ্টা করছেন তাদের রঙের নতুনত্ব সম্পর্কে জানতে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত