যশোরের চৌগাছায় অবৈধভাবে বিভিন্ন সার মজুদের অভিযোগে খাইরুল ইসলাম নামে এক দোকানিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় তার দোকান থেকে ১৩ হাজার ৫৫০ কেজি সার জব্দ করা হয়। পরে সরকারি নায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করে টাকা রাজস্ব কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দেন আদালত।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পৌর শহরের পারবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি এম এ মুনিব।
তিনি জানান, অনুমোদিতভাবে পারবাজার এলাকায় বেশি দামে সার মজুদ করে বিক্রি করছিলেন। এমন খবর পেয়ে সার বিক্রেতা খাইরুল ইসলামের দোকানে অভিযান চালানো হয়। এসময় তিনি দোকানের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। অথচ তার দোকানে ২৮ বস্তা এমওপি, ১৪৭ বস্তা টিএসপি, ৯ বস্তা ডিএপি এবং ৮৭ বস্তা ইউরিয়া সর্বমোট ২৭১ বস্তা সার গুদামজাত করা ছিল। যার খুরচা মূল্য ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫০ টাকা। পরে আদালত এই সার জব্দ করে সরকারি নায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রির নির্দেশ দেন। এছাড়া বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই বিপুল পরিমান সার মজুদ করার অপরাধ স্বীকার করায় তাকে সার ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং তাৎক্ষণিক তা আদায় করা হয়। একইসাথে তিনি ভবিষ্যতে অবৈধভাবে সারমজুদ বা ব্যবসা করবেন না বলে মুচলেকা দেন।
অভিযানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হোসেন পাটোয়ারী, চৌগাছা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়ার, উপজেলা সার ডিলার সমিতির সভাপতি ইউনূস আলীসহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যারা।