সাঁতারের জন্য ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মহেশখালী-কক্সবাজার চ্যানেল আবিষ্কার করা হয়েছে। ক্রীড়া পরিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এসআইএম ফেরদৌস আলম ও তাঁর সহযোগীদের উদ্যোগে চ্যানেলটি আবিষ্কার করা হয়। আয়োজকদের দাবি, চ্যানেলটির ইতিহাসে এটিই প্রথম সফল সাঁতার অভিযান।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টা ৫৪ মিনিটে মহেশখালী ঘাট থেকে ১২ জন সাঁতারু চ্যানেল জয়ের উদ্দেশ্যে সাঁতার শুরু করেন।
উত্তাল ঢেউ, বিভিন্নমুখী স্রোত ও লবণাক্ত পানির সঙ্গে লড়াই করে দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে প্রথম তিনজন সাঁতারু—এসআইএম ফেরদৌস আলম, রাব্বী রহমান ও আব্দুল্লাহ আল মাহী—কক্সবাজারের নাজিরারটেক বিচে পৌঁছান। পরে মো. দিদারুল আলম ও মো. শাকিবও সফলভাবে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
১২ জন সাঁতারুর মধ্যে মোট পাঁচজন ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ চ্যানেলটি সফলভাবে অতিক্রম করেন। বাকি সাতজনকে নিরাপত্তার কারণে নৌকায় তুলে নেওয়া হয়।
এসআইএম ফেরদৌস আলমের উদ্যোগে ‘বেঙ্গলস ডলফিন্স’ নামে একটি চ্যানেল আবিষ্কারক গ্রুপ এ সাঁতার অভিযানের আয়োজন করে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করে জেলা ক্রীড়া অফিস, কক্সবাজার।
অভিযানের উদ্বোধন করেন সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়ার আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. শাহজালাল এবং কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।
আয়োজক এসআইএম ফেরদৌস আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, দেশবাসীকে সাঁতারে উদ্বুদ্ধ করা, স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানো, পর্যটনের বিকাশ এবং পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ‘বেঙ্গলস ডলফিন্স’ দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে ২৫টির বেশি চ্যানেল ও সাঁতারের উপযোগী রুট আবিষ্কার করেছে।
তিনি বলেন, পানিতে পড়ে মৃত্যুর সংখ্যা কমানো এবং সুস্থ-সবল জাতি গঠনের লক্ষ্যে তাঁদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।