ক্যাম্পাসে চক্রাকার বাসের দাবিতে চবির মূল ফটকে তালা 

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৩ এএম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সিএনজি চালকদের সিন্ডিকেট ভাঙ্গা, ক্যাম্পাসে চক্রাকার বাস চালু করা ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সমস্যার সমাধানের দাবিতে মূল ফটকে তালা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ চাকসু। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ) রাত ৯টায় তালা লাগিয়ে দেয় চাকসুর নেতৃবৃন্দ।

দীর্ঘ ৩ ঘন্টা যাবত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ থাকলেও দাবি আদায়ের বিষয়ে কোন সুরাহা হয়নি। এই প্রতিবেদনের লেখা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ রয়েছে। ঘটনাস্থলে কর্তৃপক্ষের কোন প্রতিনিধিকে উপস্থিত হতে দেখা যায়নি। 

গেইটে তালা লাগিয়ে হাতে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন চাকসু নেতৃবৃন্দ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেইট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত চক্রাকার বাস চালু, সিএনজি চালকদের সিন্ডিকেট ভাঙ্গা ও যাতায়াত সমস্যার সমাধানের দাবিতে এই অবস্থান কর্মসূচি বলে জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় চাকসু নেতৃবৃন্দকে। মূল ফটকে তালা লাগিয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেন নেতৃবৃন্দ। ‘চক্রাকারে বাস চালু করো’ শিরোনামে প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা যায় তাদের। এসময় ফটকে তালা দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩টি বাস গেইটের সামনে আটকে পড়ে। 

চাকসুর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এই আন্দোলনে সংহতি জানান বিভিন্ন হল সংসদের ভিপি, জিএসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে প্রক্টরিয়াল বডি ও নিরাপত্তা দপ্তরের সদস্যদের উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। তবে ঘটনাস্থলে এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ প্রশাসনের কাউকেই উপস্থিত হতে দেখা যায়নি। 

এবিষয়ে জানতে চাইলে চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা প্রশাসনকে দীর্ঘদিন ধরে চক্রাকারে বাস চালুর বিষয়ে বলে আসছি। অথচ তারা কোনো তোয়াক্কায় করছেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত চক্রাকারে বাস চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে না ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখবো।’

ঘটনার পর্যবেক্ষণে এসে সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবিষয়ে সজাগ আছেন। আপাতত যাতায়াতের দুর্ভোগ কমাতে দু'টি বাস চালুর জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বসে এবিষয়ে পুরোপুরি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।’

জানতে চাইলে সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন বলেন, ‘চাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ আন্দোলন করছেন। দাবি আদায়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এখতিয়ার। আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছি। এ বিষয়টি সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত