তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করতে ব্যবহারের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে, নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন এমনভাবে প্রণয়ন করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার করে গণমাধ্যম বা কারও কণ্ঠ রোধ করার সুযোগ না থাকে। নতুন আইনে এ ধরনের অপব্যবহারের সুযোগ না রাখার বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভার শুরুতে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে এখনো খসড়া প্রণয়ন ও আলোচনা চলছে। কিছু শব্দের দ্বৈত অর্থ হতে পারে। তাই কোনো শব্দ বা ধারার ব্যাখ্যার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে যাতে আইনটির অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে সতর্কভাবে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, কোনো আইন একটি উদ্দেশ্যের জন্য তৈরি হয়ে অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হোক আমরা তা চাই না। আইনের খসড়া নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জননৈতিকতা নষ্ট করে এমন কর্মকা- বন্ধ করা এবং অনলাইন পরিবেশকে নিরাপদ রাখা, সাইবার সুরক্ষা আইনের মূল লক্ষ্য।
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে গালাগাল ও অশালীন ভাষার ব্যবহার বেড়েছে। এসব বিষয় কীভাবে আইনের আওতায় আনা যায়, একইসঙ্গে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায় তা নিয়ে আলোচনা চলছে। আইনটি এমনভাবে প্রণয়ন করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এর অপব্যবহারের কোনো সুযোগ না থাকে এবং মানুষের সম্মানহানি বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণেœর আশঙ্কাও তৈরি না হয়।