নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিদায়ের পর একের পর এক প্রশ্ন উঠছে দলটির পারফরম্যান্স ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্ব নিয়ে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ম্যাচ শেষে ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রিত কউরের সঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়কের সৌজন্যতামূলক হাত না মেলানোর ঘটনা। বিষয়টিকে জ্যোতির ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নারী বিভাগের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু। একই সঙ্গে এশিয়া কাপে দলের ব্যর্থতা, সেমিফাইনালে লড়াইয়ের মানসিকতার ঘাটতি এবং অধিনায়কত্ব নিয়ে ওঠা নানা প্রশ্নও পর্যবেক্ষণে রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি।
এশিয়া কাপ শেষ। দুবাই থেকে আজ রাতে সরাসরি এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে জাপানেন উদ্দেশে যাত্রা করবে বাংলাদেশ নারী দল। ফলে এই টুর্নামেন্টের আগে বড় সিদ্ধান্তে যেতে চান না রফিকুল। গতকাল মিরপুরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নারী বিভাগের এই চেয়ারম্যান ব্লেন, 'আমরা এটা পর্যবেক্ষণ করছি। সদ্য এশিয়া কাপ শেষ হলো। তারা ওখান থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমসে খেলতে যাবে। তো এই মুহূর্তে আমি তেমন কোনো কথা বলতে চাচ্ছি না। আশা করছি, ওখানে গিয়ে তারা ভালো খেলবে। যে সমস্ত ভুলগুলো করেছে, সেগুলো শুধরিয়ে দেশের সুনাম অর্জন করবে। এই মুহূর্তে যে কিছু বিষয় শোনা যাচ্ছে, আমরাও শুনছি, পর্যবেক্ষণ করছি। টুর্নামেন্টের পরে এগুলো নিয়ে আলোচনা করব।'
ভারতের অধিনায়কের সঙ্গে জ্যোতির হাত না মেলানোর প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন রফিকুল, 'নিশ্চিতভাবেই এটা তার নিজের সিদ্ধান্ত। আর আমরা একটা জিনিস মনে করি, খেলাধুলার মাধ্যমে সারা বিশ্ব ঐক্যবদ্ধ হয়। যদি খেলাধুলার মাধ্যমে বিভেদই সৃষ্টি হতো, তাহলে ইরান কোনোদিনও আমেরিকাতে খেলতে যেত না। সুতরাং আমরা চাই যে এই সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কটা সব দেশের সাথেই থাকুক, এটা ভারত বলে নয়, সবার সাথেই থাকুক। আর যে যেটা করেছে, সেটা তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, এটা আমরা কিছুই জানি না।'
এশিয়া কাপের ব্যর্থতার পাশাপাশি দলের অভ্যন্তরীণ কোনো অভিযোগ সামনে এলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন রফিকুল। মেয়েদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেব না বলেও জানান তিনি। কারো বিরুদ্ধে প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে নারী বিভাগ।
ক্লাবদের আপত্তি উপেক্ষা; লিগ-ফেডকাপ নির্ধারিত সূচিতেই