কটিয়াদীতে নিজ সন্তানকে বিক্রির অভিযোগ

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৩ পিএম

নিজ সন্তানকে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে স্ত্রী ও শাশুড়ি বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন শিশুটির বাবা জাকির হোসেন। ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রাম। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর কটিয়াদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শিশুটির বাবা জাকির হোসেন। তার অভিযোগ, তার অজান্তে স্ত্রী ফারজানা আক্তার, শাশুড়ি ও সহযোগীদের মাধ্যমে মাত্র একদিন বয়সী নবজাতককে অন্যের কাছে তুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, শিশু বিক্রির অভিযোগটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

জাকির হোসেনের ভাষ্য, তাদের সংসারে আগে থেকেই দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর তাদের আরেকটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। কিন্তু জন্মের পরপরই শিশুটিকে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে পাকুন্দিয়া উপজেলার মঠখোলা এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন। নিজের সন্তানকে দেখতেও পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে যাদের কাছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানতে পারেন, সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি। এতে শিশুটিকে আরও বেশি টাকায় অন্য কোথাও হস্তান্তর করা হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

তবে জাকিরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার। তার দাবি, বরং তার স্বামীই সন্তান বিক্রির জন্য লোক খুঁজছিলেন। প্রতিবেশী মঙ্গলা বেগমের মাধ্যমে ক্রেতার সন্ধান পাওয়ার পর সন্তান দেওয়ার ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন তিনি। সন্তান জন্মের সময় তিনি অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলেও জানান ফারজানা। তাকে, তার মা ও মঙ্গলা বেগমকে ফাঁসাতে জাকির থানায় অভিযোগ করেছেন বলে তার দাবি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত