হিন্দি সিনেমার ভক্তদের ধারণা, বিতর্ক থেকে দূরে থাকার পুরনো রীতি এখনও মেনে চলছে বচ্চন পরিবার। এ কারণে সম্পর্কে দ্বন্দ্ব বা ফাটল দেখা দিলেও বিচ্ছেদের পথে যাননি অমিতাভকন্যা শ্বেতা। কিন্তু স্বামী নিখিলের সঙ্গে শ্বেতার সম্পর্ক আগের মতো নেই। এখন তারা আলাদা বসবাস করছেন। মূলত, নিখিলকে ছেড়ে বর্তমানে বাবা অমিতাভ ব্চ্চনের বাসাতেই অবস্থান করছেন শ্বেতা। তার এভাবে স্থায়ীভাবে মুম্বাইয়ে চলে আসা এবং নিখিলের থেকে আলাদা থাকা নিয়ে বহু প্রশ্ন উঠেছে। কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠান বা জনসমক্ষে নিখিল ও শ্বেতাকে খুব একটা একসঙ্গে দেখা যায় না। বচ্চন পরিবারের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করতেই তারা নাকি আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটেননি।
অন্যদিকে, সুজান খানের সঙ্গে ১৪ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে ২০১৪ সালে আলাদা হন বলিউড তারকা হৃতিক রোশন। সুজানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরই শৈশবের বন্ধু শ্বেতা বচ্চনের কাছাকাছি আসেন অভিনেতা। অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে হৃত্বিকের গাঢ় বন্ধুত্বের কথা সবার জানা থাকলেও, শ্বেতার সঙ্গেও যে হৃত্বিকের দারুণ সখ্য ছিল—তা অনেকেরই অজানা। যদিও দুজনের বিয়ের পর সেই যোগাযোগে ভাটা পড়েছিল।
ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার, টিভি নাইনের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, একবার হৃতিক পায়ে আঘাত পেয়ে শয্যাশায়ী হলে অভিষেক ও শ্বেতা প্রায়শই তাঁকে দেখতে যেতেন। সেই সময়ই হৃতিকের সঙ্গে প্রচুর সময় কাটান শ্বেতা। পরবর্তীতে অভিনেতা কুণাল কাপুরের বিয়ের অনুষ্ঠানে শ্বেতা ও হৃতিক নতুন করে কাছাকাছি আসেন এবং তাঁদের বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়। এমনকি, ক্যামেরার নজর এড়িয়ে বিভিন্ন পার্টি ও অনুষ্ঠানেও তাঁদের একসঙ্গে যাতায়াত শুরু হয়েছিল বলে জানা যায়।শ্বেতা ও নিখিলের বর্তমান সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং হৃতিকের সঙ্গে তার এই পুরনো রসায়নের খবর নতুন করে সামনে আসতেই বিনোদন জগতে ফের শোরগোল পড়ে গেছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালে শিল্পপতি নিখিল নন্দার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শ্বেতা বচ্চন। কাপুর পরিবারের সঙ্গে যুক্ত নিখিলকে যখন তিনি বিয়ে করেন, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে—কন্যা নব্যা নভেলি নন্দা এবং পুত্র অগস্ত্য নন্দা। বিয়ের পর স্বামী নিখিলের সঙ্গে দিল্লিতেই বসবাস করছিলেন শ্বেতা। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই সন্তানদের নিয়ে দিল্লি ছেড়ে মুম্বাইয়ে বাবা-মায়ের কাছে ফিরে আসেন তিনি।
রজনীকান্তের ছবিতে হৃতিক, তোলপাড় ফিল্মপাড়া
শিগগিরই পরিচালনায় হৃতিক
এ বছরেই পরিচালনায় হৃতিক