চিতাবাঘের ক্ষিপ্রগতির কারণ

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

স্থলপ্রাণীদের মধ্যে দ্রুততম চিতাবাঘ। অসম্ভব গতিতে এদের দৌড়ানোর মূল কারণ অনন্য শারীরিক গঠন এবং পেশিতন্ত্র। দৌড়ানোর সময় চিতাবাঘের মেরুদ- একবার সংকুচিত এবং পরক্ষণে স্প্রিংয়ের মতো প্রসারিত হয়। এমন নমনীয়তার কারণে তারা প্রতি পদক্ষেপে ২০ থেকে ২৫ ফুট দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। তাদের নখ পুরোপুরি লুকিয়ে রাখতে পারে না।  সবসময় বাইরে বের হয়ে থাকে, যা দৌড়ানোর সময় জুতার স্পাইকের মতো মাটির সঙ্গে আঁকড়ে থাকে। তীব্র গতিতে থাকা অবস্থায়, হঠাৎ দিক পরিবর্তন করার সময় লেজটি শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখে। এদের মাথা শরীরের তুলনায় বেশ ছোট, যা বাতাসের বাধা কমায়। একই সঙ্গে হাড়ের গঠন হালকা, ফলে শরীর দ্রুত গতিশীল হয়। চিতাবাঘের নাসারন্ধ্র, ফুসফুস এবং হৃদপি- শরীরের তুলনায় বড়। এটি পেশিতে মুহূর্তের মধ্যে প্রচুর রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ করে। চরম ক্ষিপ্রতার ফলে, চিতাবাঘের শরীরে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এর ফলে সর্বোচ্চ গতি ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড বা ৪০০-৫০০ মিটার পর্যন্ত ধরে রাখতে পারে। নতুন একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, চিতাবাঘ বিলুপ্তির পথে। বিশ্বজুড়ে বনে-জঙ্গলে এখন মাত্র মাত্র ৭ হাজার ১শটি চিতাবাঘ টিকে আছে। গবেষণা জানাচ্ছে, বিশ্বে যে পরিমাণ চিতাবাঘ টিকে আছে, তার অর্ধেকের বেশি আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি দেশে রয়েছে। এশিয়া থেকে তাদের অস্তিত্ব প্রায় মুছে গেছে। উপসাগরীয় দেশগুলোতে, পাচার ও চামড়ার জন্য চিতাবাঘ হত্যার ফলে এরা বিপন্ন প্রজাতির তালিকায়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত