আসন্ন ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬-এর লড়াইয়ে নামার আগে বড় এক ধাক্কা খেল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। ইউরোপের মাটিতে ঐতিহাসিক জয়ের নায়ক এবং রক্ষণভাগের ভরসা তপু বর্মণ ইনজুরির কারণে দলের স্কোয়াড থেকে ছিটকে গেছেন। ইন্দোনেশিয়া ও হংকংয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের জন্য প্রধান কোচ টমাস ডুলি ২৩ সদস্যের যে চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছেন, তাতে জায়গা হয়নি তপুর।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই আসরে বাংলাদেশ খেলবে ডিভিশন ১-এর ‘এ’ গ্রুপে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের আসিয়ান কাপ মিশন শুরু করবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর এবং ১ অক্টোবর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে ডুলির দল।
তপু বর্মণ না থাকলেও প্রবাসী এবং তরুণ তারকাদের মিশেলে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল সাজিয়েছেন কোচ। স্কোয়াডে নতুন মুখ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন শুকি ইতোফুসা ও জিদান ইউসুফের মতো প্রবাসী ফুটবলাররা। ইংল্যান্ডের বোরহ্যাম উড এফসিতে খেলা ফরোয়ার্ড ফারহান আলীও রয়েছেন এই তালিকায়। এছাড়া আমেরিকার ক্যাম্প থেকে যুক্ত হওয়া হামজা চৌধুরী ও শমিত সোম সরাসরি ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।
তপুর অনুপস্থিতিতে রক্ষণভাগ সামলানোর বড় দায়িত্ব এখন তারিক কাজী, রহমত মিঞা ও সাদ উদ্দিনদের কাঁধে।
আসিয়ান কাপের জন্য বাংলাদেশের চূড়ান্ত দল:
গোলকিপার: মিতুল মারমা, মেহেদী হাসান শ্রাবণ, সুজন হোসেন।
ডিফেন্ডার: তারিক কাজী, শাকিল আহাদ তপু, সাদ উদ্দিন, জায়ান আহমেদ, জিদান ইউসুফ, মনজুরুর রহমান, রহমত মিঞা।
মিডফিল্ডার: জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোহাম্মদ সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, শেখ মোরসালিন।
ফরোয়ার্ড: শাহরিয়ার ইমন, ফাহামিদুল ইসলাম, শুকি ইতোফুসা, রাকিব হোসেন, ফারহান আলী ওয়াহিদ, মিনহাজুল করিম স্বাধীন।
পাঁচ ম্যাচে ১০ গোল দিয়ে ‘ডজন’ খেল মার্তিনেজের চেলসি