রাজধানীর বাংলামোটরে চাঁদাবাজি কেন্দ্র করে মারধর ও গুলির ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হামলার শিকার সোহাগের কাছে চাঁদা দাবি করলে, সে দিতে অস্বীকার করে। পরে এটা নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হামলা করে আসামিরা। ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়াতে গুলি ছোড়ে।
গত বৃহস্পতিবার রাতেই বাংলামোটরের আশপাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহাম্মেদ সাইমন, তার প্রধান সহযোগী ওমর, শাওন ও মোরশেদ। তবে পুলিশ অস্ত্রটি এখনো উদ্ধার করতে পারেনি।
ওই ঘটনায় গতকাল শুক্রবার ঢাকার হাতিরঝিল থানায় চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনে একটি মামলা হয়। পরে তাদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত সাইমনকে চার দিন এবং বাকি তিনজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।
গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে বাংলামোটর মোড়ের উত্তর পাশের পাম্পের গলিতে চাঁদা নিয়ে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা সাইমন মারধর ও গুলি ছোড়ে। আহত সোহানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইমন বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে। ওই অভিযোগেই তার দলীয় পদ যায়। তারপরও চাঁদাবাজি থেকে তাকে থামাতে পারছে না কেউ। গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করলে জনতা তার মোটরসাইকেল আটক করে ভাঙচুরের করে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় স্থানীয় লোকজনকে সাইমনের বিরুদ্ধে সেøাগান দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
সোহাগ অভিযোগ করে বলেন, সাইমন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকা-, মারামারি ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। এসব কর্মকা-ের কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রাজধানীর হাতিরঝিল থানার ওসি আসাদ বলেন, চাঁদাবাজি ও গুলির ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা পুলিশ হেফাজতে রিমান্ডে রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।