চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি কলাবাগান থেকে চন্দনা রাণী (২৬) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের টেরিয়াল স্কুলসংলগ্ন কলাবাগান থেকে হাত-পা ও গলা বাঁধা অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ তুলেছে পরিবার।
নিহত চন্দনা রাণী সীতাকুণ্ডের মুরাদপুর ইউনিয়নের বসরত নগর এলাকার তেজেন্দ্র দাস ও বালা দাসের মেয়ে।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, প্রায় এক বছর আগে কুমিরা ইউনিয়নের অজয় দাসের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে গোপনে বিয়ে হয় চন্দনার। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ স্বজনদের। ঘটনার আগের দিনও নির্যাতনের শিকার হয়ে চন্দনা বাবার বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন বলে দাবি পরিবারের। পরে তিনি আবার স্বামীর বাড়িতে চলে যান। এর এক দিন পর তাঁর মরদেহ উদ্ধারের খবর পান স্বজনেরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরদেহের ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার বিকেলে পরিবারের সদস্যরা চন্দনার পরিচয় শনাক্ত করেন। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে শোকাহত বাবা তেজেন্দ্র দাস এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে চন্দনা রাণীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।