বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) ১২ জন গবেষক। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার প্রকাশিত ২০২৬ সালের এ তালিকা বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রকাশ করা হয়।
তালিকায় স্থান পাওয়া গবেষকেরা হলেন— অধ্যাপক ড. গোলাম রাসুল, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান; ড. শুভাশ চন্দ্র পাল, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক; ড. মো. হারুন উর রশিদ, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও সমন্বয়ক; ড. মো. নাজিরুল ইসলাম সরকার, কলেজ অব অ্যাগ্রিকালচারাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক; ড. মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা তালুকদার, কলেজ অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান; ড. মো. মনিরুজ্জামান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক; ড. নাঈম হোসেন, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক; ড. মো. শওকাত হোসেন, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক; মো. আলামিন তালুকদার, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং মোস্তাক করিম খান রনি, কলেজ অব নার্সিংয়ের গবেষক।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. মাহমুদ জোবায়ের ও মো. মোবারক হোসেনও তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
আইইউবিএটির গবেষকদের এ অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়টির সুনাম আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্বমানের গবেষণায় তাঁদের অবদান বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
এ সাফল্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুর রব ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস গবেষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে শিক্ষার উৎকর্ষ, উদ্ভাবন এবং বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আলিমুল্লাহ মিয়ানের হাত ধরে ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আইইউবিএটি। এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। রাজধানীর উত্তরায় সবুজ ক্যাম্পাসে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ব্যবসায় প্রশাসন, কৃষি, প্রকৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান, নার্সিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দক্ষ, নৈতিক ও বৈশ্বিকভাবে যোগ্য স্নাতক তৈরি করাই বিশ্ববিদ্যালয়টির লক্ষ্য।