উপজেলা পরিষদের পুকুরে খাদ্য কর্মকর্তার অনুমতিহীন মাছ শিকার, পরে নিলামে বিক্রি

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ পিএম

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে অনুমতি ছাড়া মাছ শিকারের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে মাছগুলো জমা নেওয়া হয়। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে মাছগুলো প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। নিলাম থেকে পাওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে উপজেলা খাদ্য গুদাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিনভর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে মাছ শিকার করেন খাদ্য কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ। এ জন্য তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি নেননি বলে জানা গেছে। পরে মাছগুলো নিজ বাড়ি পাবনায় নিয়ে যাওয়ার জন্য প্যাকেটজাত করেন তিনি।

বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাইলে তাকে মাছগুলো জমা দিতে বলেন। প্রথমে মাছ জমা দিতে রাজি না হলেও পরে থানা-পুলিশের সহায়তায় মাছগুলো উদ্ধার করে জমা রাখা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা পরিষদের এক কর্মচারী বলেন, ওই খাদ্য কর্মকর্তা প্রায়ই এভাবে পুকুর থেকে মাছ শিকার করেন এবং কাউকে না জানিয়ে নিয়ে যান।

অভিযোগের বিষয়ে খাদ্য কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমি কয়েকটি মাছ শিকার করেছি। স্যার আমাকে ফোন দিয়েছিলেন, আমি মাছগুলো তার কাছে জমা দিয়েছি।’

জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ওয়ালিউর রহমান রুবেল বলেন, ‘আমাকে না জানিয়ে তিনি কয়েকটি মাছ শিকার করেছেন। বিষয়টি জানার পর তাকে ফোন করে মাছ জমা দিতে বলি। তিনি মাছ জমা দিয়েছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে প্রকাশ্যে নিলাম করা হয়েছে। নিলাম থেকে পাওয়া টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত