নভেম্বরে ঢাকায় গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৯ এএম

দেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ, আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ এবং দেশীয় উৎপাদকদের সঙ্গে বৈশ্বিক ক্রেতাদের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো ২০২৬’ দ্বিতীয় সংস্করণ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি)। আগামী ১৫ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকায় উপকণ্ঠ পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিগ ওয়েভ) এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

এর প্রস্তুতি উপলক্ষে গতকাল রবিবার রাজধানীর এক হোটেলে দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারা, বিভিন্ন চেম্বার প্রতিনিধি, সরকারি দপ্তর প্রধানদের নিয়ে ‘ভিউ এক্সচেঞ্জ’ সভা করেছে আয়োজক সংস্থা ইপিবি। সভায় ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, গত বছর এক্সপোর প্রথম সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে দেশীয় পণ্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ এক্সপো একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এবারের আয়োজনে গত বছরের ৮টি খাত সম্প্রসারিত করে ১২টি খাতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে। এবারের এক্সপোতে ২০০টির বেশি স্টলে অংশগ্রহণকারী প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এক্সপোকে একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সেমিনার, বিজনেস-টু-বিজনেস (বিটুবি) সভা, অনলাইন ম্যাচমেকিং পোর্টালের মাধ্যমে ক্রেতা ও বিক্রেতার সংযোগ স্থাপন, নেটওয়ার্কিং এবং কারখানা পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ফ্যাশন শো ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা এবং বাংলাদেশের পণ্যের প্রতি তাদের আগ্রহ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, ঢাকার বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, আন্তর্জাতিক ক্রেতা সমিতি ও যৌথ বাণিজ্য চেম্বারগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমে কার্যকর আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।

সভায় জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের অংশগ্রহণ সহজতর করতে নিবন্ধিত ক্রেতাদের জন্য হোটেলে বিশেষ মূল্যছাড়সহ বিভিন্ন সুবিধার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ব্যবহারকারী অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিশেষ ছাড়ের সুযোগ দেওয়া হবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল ও ক্রেতাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে এক্সপোর কার্যকারিতা এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রচার বৃদ্ধি, বিদেশি ক্রেতাদের সম্পৃক্ততা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে স্টল ও প্যাভিলিয়ন সাজাতে হবে। এক্ষেত্রে মেলার তারিখ আগেভাগে নির্ধারণ, মানসম্মত পণ্য নির্বাচন, আন্তর্জাতিক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো এবং মেলা-পরবর্তী সময়ে ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা এক্সপোর কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত