ইরান যুদ্ধের ছায়ায় নির্বাচন

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৮ এএম

উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান যুদ্ধের আবহে এবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র যোগ দেওয়ার ঘটনায় দেশটির নাগরিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, যেখানে অধিকাংশই নাগরিকই এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধ নবম মাসে গড়িয়েছে। সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ইরানের সঙ্গে আবারও সামরিক সংঘাতে জড়াতে পারে ওয়াশিংটনÑ এমন আশঙ্কাও তীব্র হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাবে না। তবে নির্বাচনের পর কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।

ইরানে আবার সামরিক হামলার জন্য ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন ইসরায়েলের তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, গত শনিবার দুই নেতার মধ্যে ফোনে কথা হয়েছে। এতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার অগ্রগতি এবং সামরিক অভিযান কত দ্রুত আবার শুরু করা হতে পারেÑ তা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর, ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরুর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। গত শনিবার ফ্লোরিডায় নিজের মার-এ-লাগো বাসভবনে হ্যালোইন অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, এখনই হামলা শুরু করার তেমন তাড়া নেই। ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। তিনি বলেন, ‘তারা একটি চুক্তি করতে চায়। তারা চুক্তি করে কি না, তা আমরা দেখব।’

তবে ট্রাম্প এও বলেন, ইরানের এক বা দুটি পারমাণবিক স্থাপনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে এখনও ব্যবস্থা নিতে হবে। এর মধ্যে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী চাইলে ১০ মিনিটের মধ্যে সেখানে অভিযান চালাতে পারে বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত