১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী অপশক্তি পরাভূত হয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে। জাতি ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ আর পথ হারাবে না।
এর আগে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের বিশেষ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেটকোরের (বিএনসিসি) ৩ হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের ৫০০ সদস্য অংশ নিচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত রয়েছেন।
এরও আগে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে ফাতিহা পাঠ এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নিয়ে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন