জেদ্দায় ‘‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’’ উদ্‌যাপন

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দার উদ্যোগে কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) যথাযোগ্য মর্যাদায়‘‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’’ উৎযাপিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। ধর্মমন্ত্রী ও কনসাল জেনারেল জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধ বিপ্লব ও সংহতি দিবস সূচনা ও রাষ্ট্র গঠনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও বাংলা তরজমা পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে ঐতিহাসিক সিপাহী জনতার বিপ্লবের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ "সবার আগে বাংলাদেশ" প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও গণতন্ত্র রক্ষায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। এ সময় তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ও সৌদি প্রবাসীদের সৌদি সরকারের আইন-কানুন মেনে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিটেন্স প্রেরণ করার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।

কনসাল জেনারেল তার বক্তব্যে ১৯৭৫ সালে সিপাহী জনতার বিপ্লব, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সকল স্বাধীকার আন্দোলনে নিহত শহিদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ এবং শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কমানা করেন। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি প্রবাসীদের উদ্দেশে দেশের মর্যাদা ক্ষুন্ন করে এমন ধরণের অবৈধ কাজ হতে বিরত থাকার এবং বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানান। কনস্যুলেটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় কমিউনিটির নেতারাও বক্তব্য রাখেন। সবশেষে দেশের উন্নতি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, ধর্মমন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বাংলাদেশ বিমান অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা, স্থানীয় গণমাধ্যম প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম) এর শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত