ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশ নতুন করে একটি ফ্যাসিস্ট মুক্ত হয়েছে। সেই ফ্যাসিস্ট মুক্তির মধ্য দিয়ে আপামর জনসাধারণ, সিপাহী-জনতা একাত্মতা প্রকাশ করে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ওপরে দেশের দায়িত্বভার অর্পণ করে। নতুন বাংলাদেশের স্থপতি, সবচেয়ে জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে আজকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়কে পুনর্গঠনের জন্য আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বিগত দিনের নানা সীমাবদ্ধতা ও ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে তার স্বতন্ত্র অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে প্রশাসনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
পরে প্রশাসন ভবন চত্বর থেকে এক শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম) স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং ইবি কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম আশরাফ উদ্দিন খানের পরিচালনায় দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।