টেলিফোন বিলোপন

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২১, ১০:২৫ পিএম

শহরে হলেও টেলিফোন আসেনি তখনো আমাদের নিম্নমধ্যবিত্ত ঘরে। তারযোগে দূরালাপনের এই যন্ত্রটার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ আলাপ বেতারে। সেটা তখন রেডিও বাংলাদেশ। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট সকালে সামরিক মুখের কথায় ‘বাংলাদেশ বেতার’ হয়ে গিয়েছিল ‘রেডিও বাংলাদেশ’। ১৯৯৬-এর মাঝামাঝিতে বেসামরিক মুখের কথায় ঘুরে আসে ‘বাংলাদেশ বেতার’। ১৯৮২ থেকে কয়েক বছর রাজশাহী বেতারে নিউজ ট্রান্সলেটরের কাজ করি। মাসে জুটত তিন-চারটা প্রোগ্রাম। প্রোগ্রামপ্রতি সম্মানী ৫০ টাকা। পিতৃঅন্ন ধ্বংসকারী বেকারের কাছে সেটাই মহার্ঘ্য! দিত চেকে, ক্যাশ করতে প্রথম ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা। খবরের সন্ধানে টেলিফোন যন্ত্রটি ঘোরাতে হতো। বোতাম-সেট আসেনি তখনো। আদ্যিকালের সেটে ০-৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো গোলাকারে সাজানো, তার ওপর প্রতিটি সংখ্যায় আঙুল বসানোর মতো ফুটোওয়ালা গোলাকার এক চাকতি বসানো। ভিন্ন জেলায় ফোন করা ছিল মহাঝকমারি! জেলা কোডের শূন্য ঘুরিয়েই আঙুল অবশ! বাকি নম্বর ঘুরিয়ে আসল নম্বরে রিং লাগানো বিশাল হ্যাপা! বেতারের বাইরে আমার দূর-আলাপের দায় ছিল না মোটে।

নিজের টেলিফোন না থাকার দহনজ্বালা মর্মে মর্মে টের পেলাম বিয়ের পরে। জজিয়তি-চাকরির এক বছরের মাথায় (তখনো শিক্ষানবিশিকাল চলছে সহকারী জজের) বিবাহকর্মটি সমাধা হয়েছে। এক মাস না যেতেই মধুচন্দ্রিমায় নয়, আমার ডাক পড়ল সাভারে লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে। নববধূ বিরহে ১৯৮৯ সালের সেই দু-মাসে (আসলে ছিল চার মাসের। শর্ট-কোর্স চলছিল। বিরহ-পীড়িতের দরদে নয়, জট ছোটাতে।) বুকটা ফাইট্টা যায়! প্রশাসন ক্যাডারের এক কর্মকর্তা আমার একমাত্র রুমমেট। শুভকর্মটি তিনিও সেরে এসেছেন আমারই মতো একই তারিখে। বিরহ-মেটও বটে! কঠোর প্রশাসন, অচঞ্চল চিত্তে দিব্যি নির্বিকার। কোমল হৃদয় বিচারকের, উচাটন মন প্রশিক্ষণে রয় না! চিঠিতে আশ মেটে না। আকুলিবিকুলি একটুখানি কথা বলার, হলোই-বা দূর-আলাপে। টেলিফোন নেই তার বাবার বাড়ি, নেই নিজের বাবার বাড়িতেও। দহনজ্বালা সইতে না পেরে পাশের বাড়ির টেলিফোন নম্বরটা জোগাড় করলাম। নম্বর ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আঙুল ব্যথা করে (মনের ব্যথায় পাত্তা পায়নি) অবশেষে এক দিন লাইন পাওয়া গেল। ডেকে দিতে বলায় সদয়ও হলেন। কিন্তু, হায়! ‘বধূ আসিবার পূর্বে লাইন কাটিয়া গেল!’ আঙুলের ব্যথা দ্বিগুণ হলো। পোস্টিং পেয়ে গেলাম কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা। সেখানে তখন কেবলই নির্বাহী অফিসারের টেলিফোন। সেটে নম্বরও নেই, ঘোরানোর চাকতিও নেই। আঙুল ব্যথার বালাই নেই। বিশেষ কায়দায় এক্সচেঞ্জে লাগানো যায়। চাহিদামতো এক্সচেঞ্জ লাগিয়ে দিলে লাইন পাবেন, নয়তো নয়। এই ঝকমারিতে যাওয়ার আমার দরকার হয়নি কখনো। কেননা বধূ থাকতেন সঙ্গেই।

নীলফামারী এসে আমার জজিয়তিই উঠল টেলিফোনে। চিলমারী থেকে রাজারহাট উপজেলা হয়ে সদরে কোর্ট উঠিয়ে আনা মিলিয়ে সাড়ে চার বছর কুড়িগ্রামেই। বদলি হলে ২০ নভেম্বর ১৯৯৩ সৈয়দপুর কোর্টে আসি নীলফামারী জেলা সদরে। সবেমাত্র ৯ মাস ১০ দিন গেছে, আচমকাই বদলির আদেশ আবারও সেই কুড়িগ্রাম। নীলফামারী থেকে এক মেইল ট্রেনে বাড়ি (রাজশাহী শহরে) যাওয়ার সুবিধাটুকু ছিল, যদিও দুই ঈদে ছাড়া যাওয়া বিশেষ হতো না। (ঢাকার টান ছিলই না, দুপুর আড়াইটায় ছাড়ত নাইট-কোচ!) সাপ্তাহিক ছুটি তখনো দু-দিন হয়নি, ছিল কেবল শুক্রবার। আন্তঃজেলা বাসের দুঃসহ দুর্ভোগ গেছে কুড়িগ্রামে। রাজশাহী-রংপুর দিনে একটা-দুটো বাস। রংপুর নেমে বাক্স-প্যাটরা নিয়ে রিকশায় আরেকখানে গিয়ে আরেক বাসে কুড়িগ্রাম। ঈদ এলেই আন্তঃজেলা বিরোধ বাস শ্রমিক-মালিক সংগঠনগুলোর। প্রত্যেক জেলার বাস নিজ সীমানায় গিয়ে নামিয়ে দেয়। নোম্যান্সল্যান্ডটুকু বাক্স-প্যাটরা নিয়ে রিকশায় পার হয়ে আরেক জেলার বাস। কুড়িগ্রাম থেকে বাসে রাজশাহী যেতে লালমনিরহাট, রংপুর, বগুড়া, নাটোর চার জেলায় ধকল। ট্রেনে ছিল দু-দিনের ধাক্কা।

আবারও সেই কুড়িগ্রামে অকালবদলিতে আত্মারাম খাঁচা ছাড়া! ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৪ জেলা জজ ও রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে সচিবের কাছে বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করে অগ্রিম অনুলিপি হাতে ছুটি নিয়ে পরদিন ছুটে এলাম আইন মন্ত্রণালয়ে। জানা গেল, বদলি ঠেকানোর উপায় নেই। খোদ মন্ত্রী মহোদয় ক্ষেপেছেন। কসুর আমার, মাসখানেক আগে এক ভায়োলেশন (অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাভঙ্গ) মামলায় জেলা প্রশাসনের বড় কর্তার তিন মাসের সিভিল জেলের আদেশ দিয়ে ফেলেছি। ‘ডেপুটি’ কমিশনারের জেল হলে ‘তেলে বেগুন জ্বলে’ আইনের পূর্ণ মন্ত্রীর! এ-দিব্যজ্ঞান ছিল না নাদানের। সবকও দেয়নি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে। আপিল করে ভায়োলেশন মামলার বাদীকে কায়দায় ফেলে সোলেনামা নিয়ে ভায়োলেশন মামলাটাই প্রত্যাহার করিয়ে জেলের আদেশ জলে দিয়েছে আগেই। সিপিসির ২৩ আদেশে নাকি করা যায়! কৌশল কৌঁসুলির, আদেশ জেলা জজের। অতঃপর ২৮ আগস্ট ১৯৯৪ ‘সুপ্রিম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে জনস্বার্থে’ আমার বদলির আদেশ। সাচ্চা ‘জনস্বার্থ’! চাহিবামাত্র ‘পরামর্শটাও’ পাওয়া যায় স্বৈরাচারমুক্ত গণতন্ত্রের নয়াযুগে! জানার কোনো শেষ নেই আসলেই।

কুড়িগ্রাম নাকি ‘পানিশমেন্ট’ জেলা। আমার পোস্টিং শুরু সেখান থেকেই। নরকের কীটকে নরকে নিক্ষেপ! পরদিন মন্ত্রণালয় বলল, কুড়িগ্রামের বিকল্প প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে আবার ‘পরামর্শে’, ঘরে ফিরে যান। নীলফামারী ফিরেই ৮ সেপ্টেম্বর পাতলা কাগজে (কম্পিউটার তখনো আসেনি, বাংলা টাইপ চলত অপটিমা-মুনীর মেশিনে। কার্বন পেপার দিয়ে একসঙ্গে কয়েকটা কপি করতে পাতলা কাগজে টাইপ হতো।) জেলা জজের আদেশ পেলাম, ‘মন্ত্রণালয় হইতে টেলিফোন মাধ্যমে প্রাপ্ত খবরে’ বদলির আদেশ স্থগিত হওয়ায় পুনরাদেশ পর্যন্ত আমার চার্জ হস্তান্তর স্থগিত। সপ্তাহ না যেতেই ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে আবার পাতলা কাগজ জেলা জজের। ‘মন্ত্রণালয় হইতে টেলিফোন মাধ্যমে প্রাপ্ত খবরে’ কুড়িগ্রামে আমার বদলির আদেশটা ‘বলবৎ’ হওয়ায় ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ যোগ দেওয়ার জন্য এখনই চার্জ দিতে হবে। জানা গেল, মন্ত্রী মহোদয় আবার ক্ষেপেছেন। নীলফামারীতেই আমার এখনো থাকার খবরটা টেলিফোনে নয়, সরাসরি গেছে তার কানে। শ্রবণশক্তি প্রখরকরণ যন্ত্র লাগাতেন কানে। কান-কথাটা শোনেন, বিকল্পের প্রস্তাব সুপ্রিম কোর্টে ‘পরামর্শে’ থাকার কথা শোনেন না মোটে। চটে গিয়ে হাতিয়ায় পাঠাতে চান। তার রোষানল নেভাতে কর্তারা আমার ‘স্ট্যান্ড-রিলিজ’-এর কায়দা করেন টেলিফোনে। মালপত্র বেঁধেছেঁদে কানাচে রেখে ভাড়া বাসা ছেড়ে দারাপরিবার বাড়ি পাঠিয়ে ভেঙে ভেঙে বাসে এলাম কুড়িগ্রাম যোগদান করতে। জেলা জজ জানালেন, মন্ত্রণালয়ের ‘টেলিফোন-নির্দেশ’ আছে আমাকে যোগদান না করাতে (বিকল্পের প্রস্তাব ‘পরামর্শাধীন’ আছে বলে)। ভাঙা মনে আবার ভেঙে ভেঙে ফিরলাম নীলফামারী। দায়িত্বমুক্ত ভারযুক্ত মনে দিন গড়ায়, ‘বিকল্পের’ আদেশ আসে না। সপ্তাহের শেষে ২২ সেপ্টেম্বর ডাকযোগে এলো পাতলা কাগজ (একা আমার, তাই টাইপ করা। বেশিজনের হলে সাইক্লোস্টাইল হতো), ‘সুপ্রিম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে’ আগের আদেশ ‘সংশোধনক্রমে’ আমার বদলি নড়াইল। আবিষ্কার হয়েছে পানিশমেন্টের নতুন জেলা! বাড়ির যোগাযোগে ধকল কুড়িগ্রামবৎ।

পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি। তিন সপ্তাহের ধকলে বিধ্বস্ত দেহ-মন। দু-এক দিন জিরিয়ে নড়ব ভেবে বাড়ি এসেছি। সন্ধ্যায় পেল ভূতে! ‘জয়েনিং-টাইম’ পার। দু-এক দিনের বিশ্রামে আবার কোন বিপদে পড়ি! উৎকণ্ঠায় ট্রাংক-কল বুক করলাম নড়াইল জেলা জজের বাসায়। লাইন পেয়ে বুঝলাম, হুজুরের কাছে দূরালাপ শিষ্টাচারের বে-লাইনে গোস্তাকি হয়েছে! পরদিন ভোরেই বাসে ছুটলাম নড়াইল। ভিন্ন উপায় ছিল না আমার। সেকালে সাব-জজের (এখনকার যুগ্ম জেলা জজ) নিচে টেলিফোন ছিলই না অধস্তন আদালতে। সাব-জজের কেবল অফিসেই। তাদের অনেকে সেটারই এক্সটেনশন লাইন রাখতেন বাসায়। কী কায়দায় জানি ওনারা মিয়া-বিবি একজনে ঠকাঠক করলে অপরজন লাইনে আসতেন! হাইকোর্টের ইন্সপেকশনে ধরা খেয়ে সে-এক্সটেনশন কাটা পড়ে। নথিপত্রের মধ্য থেকে কী করে যে এক্সটেনশন লাইন চোখে পড়ে আল্লাহই মালুম!

আমরা সহকারী/সিনিয়র সহকারী জজরা ঠেকা-বেঠাকায় সাব-জজ ভাইদের টেলিফোন ব্যবহার করতাম অনুমতি পেলে। সংক্ষেপে সারার নির্দেশনা মেনে। সালামটাও পুরা হয় না! এক সিনিয়র সহকারী জজ ছিলেন, ধার করা টেলিফোন ধরেই কথা শুরু করতেন আয়েশ করে ‘আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’ বলে লম্বা সালাম দিয়ে। তাকে দেখলেই সাব-জজ ভাই ভড়কে উঠতেন! কয়েকটামাত্র কলে তার সিলিং বাঁধা। হাইকোর্টের ইন্সপেকশন আবার টেলিফোন বিল নিয়েও টানাটানি করে! গিন্নি সঙ্গে থাকলে আমার দূরালাপের প্রয়োজন পড়ত না মোটেই। একবার তিনি বাবার বাড়ি গিয়ে সপ্তাহ দু-এক পার করে ফেলেন। সে-বাড়িতে তখন টেলিফোনও এসে গেছে। সাব-জজ ভাইয়ের দেওয়া বরাদ্দ শেষ, অতিরিক্ত জেলা জজ মহোদয়ের অনুমতি চাইলাম। শুরুতেই শেষ অনুমতি দিলেন টেলিফোনহীন সহকারী (সিনিয়রসহ) জজদের জেলা জজের প্রশাসনিক কর্মকর্তারটা (তারও একখানা টেলিফোন ছিল) ব্যবহার করা উচিত বলে সবক দিয়ে। পূর্বপরিচিত এক ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে দ্বিতীয়বার গিয়ে তার ফরসা শরীরে ‘মুখ কালো’ দেখে আরবার যেতে পারিনি।

এমন দুরবস্থায় এক দিন আমাদেরও ‘ঈদ’ এলো (সত্যিকারের ঈদও আসন্ন ছিল তখন)। ১৯৯৯ সালের মাঝামাঝির দিকে সিনিয়র সহকারী জজরা টেলিফোন পেলাম। শুধু অফিসেই নয়, বাসায়ও। এক্সটেনশন নয়, আলাদা লাইনের আস্ত আরেকটা টেলিফোন। এই বারে সাব-জজ ভাইয়ের ছোট্ট মেয়ের কথা, ‘আব্বু, তুমিও সিনিয়র সহকারী জজ হয়ে যাও না!’ মাস কয়েক পরে সাব-জজদেরও বাসায় আলাদা টেলিফোন সংযোগ হয়। (এসব নিয়ে আসার ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র সহকারী সচিবের নাকি বিশেষ হাত ছিল। শেষটায় মন্ত্রণালয়ের বড় কর্তা হয়ে বসলে সে-হাতই কালো থাবা নাকি হয়ে পড়ে।) বছরখানেকের মধ্যে আমিও সাব-জজ হলাম। আড়াই বছর সাব-জজগিরির পর সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে ২০০২ সালের শেষদিকে আইন মন্ত্রণালয়ে এসে দেখি সিনিয়র সহকারী সচিবদের সবার বাসায় সরকারি টেলিফোন আছে, কেবল আমারটা নেই। বাসায় টেলিফোন চেয়ে দিলাম দরখাস্ত। মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখার ফাইলে ঢুকল। তারপর ফাইলটা কোথায় যেন গায়েব হয়ে গেল! খোঁজার কষ্ট গেল মাত্র এক বছরেরই। দিল আবার সাব-জজ (তখন যুগ্ম জেলা জজ) করে ঢাকার বাইরে বদলি করে।

তারপর থেকে অবসরে আসার আগে পর্যন্ত অফিসে, বাসায় টেলিফোন না থাকার কষ্টে পড়তে হয়নি। অবসরে অফিসও নেই, টেলিফোনও নেই। বাসা তো আছে। টেলিফোনে মায়া বসে গেছে। নিজ খরচায় নিজ বাসায় টেলিফোনটা টেনে চলেছি। ডিজিটালের বেতার মোবাইল ফোনের এই যুগে তারযোগের সেই টেলিফোনে রিং আসে না মোটে। আঙুলব্যথার সেই চাকতি ঘোরানো সেট দেখতে যেতে হবে বিজ্ঞান জাদুঘরে। আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেলের টেলিফোনে বোতাম লেগেছে অনেক আগে। অবসরেও সেই বোতাম টেপার অবসর নেই। ছোঁয়া দিয়ে চলে মোবাইল ফোনে।                                 

লেখক প্রবন্ধকার ও আইন গ্রন্থকার; অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা জজ ও দুদকের সাবেক মহাপরিচালক

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত