গবেষণা ও উন্নয়ন

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৩, ১২:৩১ এএম

একটা দেশের উন্নতি নির্ভর করে তার প্রাকৃতিক সম্পদের ভাণ্ডার ও জনসম্পদের প্রকৃতির ওপর। শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেই কোনো দেশকে উন্নত বলা যায় না; বড়জোর ধনী আখ্যায়িত করা যায়। কিন্তু জনসম্পদে সমৃদ্ধ একটি দেশের উন্নতি হয় টেকসই, বহুমুখী ও গতিশীল; প্রাকৃতিক সম্পদের লভ্যতা সেখানে তেমন বড় কোনো বিষয় হয়ে ওঠে না, বরং সেটার দুর্লভতাই দেশের নাগরিক ও নেতাদের উন্নয়ন-প্রচেষ্টায় ‘মন্ত্রের সাধন, কিংবা শরীর পতন’-এর দেবসুধা পানে মরিয়া হয়ে ওঠার প্রেরণা জোগায়। প্রাকৃতিক সম্পদ আপনা-আপনি দেশের নাগরিকদের জীবন মানের উন্নয়ন ঘটায় না; দক্ষ জনসম্পদের মাধ্যমে সেগুলো সদ্ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে। সে কারণে আফ্রিকার অনেক দেশ মহামূল্যবান নানা খনিজের অধিকারী হয়েও আজ অনুন্নত বা বড়জোর উন্নয়নশীল তকমায় ভূষিত। আর ইসরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশ তেমন কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ না থাকা সত্ত্বেও অতি উন্নত রাষ্ট্রের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত। তাদের এই উল্লম্ফনের পেছনে অনুঘটকের কাজ করেছে মানবসম্পদের উন্নয়ন, যেটা আবার এসেছে উপযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ থেকে।

পাকিস্তানের এক বছর পর ১৯৪৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার স্বাধীনতা লাভ, এরপর ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নিমজ্জন, যুদ্ধ শেষে বিধ্বস্ত অবকাঠামো ও মহারুগ্ণ এক অর্থনীতির পৃষ্ঠদেশে আরোহণ এই ছিল উন্নয়ন-পূর্ব দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাস। কিন্তু তারা ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা নিয়ে দেশ গড়ার ব্রত শুরু করেন আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে, যেখানে প্রাধান্য পায় স্টেম (Science, technology, engineering and mathematics) এডুকেশন এবং গবেষণা ও উদ্ভাবন। প্রথম দিকে সরকারকে বিদেশ থেকে প্রযুক্তি আমদানি করতে হতো বটে, তবে স্থানীয়ভাবে গড়ে তোলা প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেগুলোর বিস্তার যেমন ঘটানো হতো, তেমনি সেগুলোতে নব নব স্থানীয় প্রযুক্তির উদ্ভাবন সূচিত হতো। এগুলোকে সুসমন্বিত করে জাতীয় ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তারা গঠন করেন এনআইএস (National Innovation System)। প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় nq KIST (Korea Institute of Science & Technology) এবং স্থানীয়ভাবে জটিল প্রযুক্তির উন্মেষ ঘটাতে ১৯৭১ সালে স্থাপন করা হয় KAIST (The Korean Advanced Institute of Science & Technology)। এ পর্যায়ে এনআইএসের প্রধান কাজ হয়ে যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষণাকাজের সমন্বয় সাধন, বেসরকারি পর্যায়ে গবেষণার সম্প্রসারণ, গবেষণার ফলাফলের বিস্তার সাধন এবং সব পর্যায়ে গবেষণা ও উন্নয়ন (Research & Development, R&D) কার্যক্রমকে টেকসইকরণ।

গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে সরকার এই খাতে সম্পদের ন্যূনতম বিনিয়োগ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেয়, বেসরকারি কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানে উন্মুক্ত হস্তে কর রেয়াত ও প্রণোদনা প্রদান করে এবং এই খাতে যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা সেরা স্নাতকরা নিয়োজিত হতে পারেন, তার ব্যবস্থা নেয়। এসব ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে বেসরকারি সেক্টরে এই খাতে বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। ১৯৮০ সালে এই খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ ছিল জিডিপির ০.২৮ শতাংশ, পক্ষান্তরে ২০১০ সালে তা বেড়ে উন্নীত হয়ে যায় ২.৮০ শতাংশে। ২০২২ সালের হিসাব অনুযায়ী আরঅ্যান্ডডি খাতে দক্ষিণ কোরিয়ার বরাদ্দ বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ; জিডিপির ৪.৮ শতাংশ। ৫.৪ শতাংশ বরাদ্দ নিয়ে ইসরায়েল এ খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের অধিকারী।

বাংলাদেশে গবেষণা খাতে অর্থ বরাদ্দের চিত্র বড়ই করুণ। এখানে গবেষণা ও উন্নয়ন (R & D) খাত নামে স্বতন্ত্র কোনো খাত নেই; অথচ বিশ্বে ১২৫ দেশে এটির আলাদা অস্তিত্ব জাজ্বল্যমান। এখানে এটা শিক্ষা খাতের একটা উপখাত মাত্র। আর শিক্ষা খাতেই বরাদ্দের হার জিডিপির ২ শতাংশের যৎসামান্য ওপরে; গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে মাত্র ০.৩ শতাংশ। The Business Standard-এর ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২-এর এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২০ সালে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মিলে এ খাতে ব্যয় করেছে মাত্র ১৩৭ কোটি টাকা; যার মধ্যে সরকারিগুলোতে ৩৬ কোটি এবং বেসরকারিগুলোতে ১০১ কোটি টাকা। ১৫০টি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৫টি এ খাতে কোনো টাকাই খরচ করেনি, আর যেগুলো এক লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করেছে, সেগুলোর সংখ্যা ৪৪টি। উল্লিখিত, ইংরেজি দৈনিকটির ১৪ জানুয়ারি ২০২১ তারিখের আরেক প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ১৯৯৬-২০১৭ সালের মধ্যে দেশের বিজ্ঞানীদের প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য বৈজ্ঞানিক নিবন্ধের সংখ্যা ৩৮,৩৯৭, পক্ষান্তরে ওই সময়ে নাইজেরিয়ার সংখ্যা ছিল ৭১,০৪৬, ইন্দোনেশিয়ার ৭২,১৪৬ এবং পাকিস্তানের ১,২১,৮৩৬। এ তো গেল সংখ্যাতত্ত্বের হিসাব; মানের বিচারেও দেশের গবেষণার অবস্থা তথৈবচ।

রচনা চুরি করে পিএইচডি ডিগ্রি লাভের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদাবনতি, নিম্নমান ও চুরি করা অভিসন্দর্ভের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার বৃত্তি বাতিলÑএই জাতীয় সংবাদ এখন হরহামেশাই দেখা যাচ্ছে। এসব সংবাদ দেশে গবেষণার মান সম্পর্কে একটা বার্তা দেয়। দেশে এ জাতীয় গবেষণা আগেও যে ছিল না তা নয়। আকবর আলি খানের ‘আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি’তে উল্লেখ রয়েছে, ‘সত্তরের দশকে বাংলাদেশে মাত্র তিনজন অধ্যাপক ছিলেন যারা প্রত্যেকে দুটি করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। এরা তিনজনই দুর্নীতির দায়ে জেল খাটেন। এরপর বাংলাদেশে ডাবল পিএইচডির আর খবর পাওয়া যায়নি।’ এই তিনজন অধ্যাপক রচনা চুরি করে জেলে গিয়েছিলেন, নাকি অন্য কোনো কারণে লাল দালানে পদার্পণ করেন, তা অবশ্য বইটাতে স্পষ্ট উল্লেখ নেই। তবে এ গবেষণার অধিকাংশই অ্যাকাডেমিক ধাঁচের; পদোন্নতি লাভ ও ব্যক্তিগত কিছু প্রাপ্তিযোগের মোহে পরিচালিত। যার প্রায়োগিক মূল্য উল্লেখ করার মতো নয়। দেশে গবেষণার প্রায়োগিক মূল্য কেমন, তার দু-একটা দৃষ্টান্ত উল্লেখ করছি।

কয়েক দিন আগে বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে, যাতে বলা হয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে ৪২ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত ছিল। ওই বছর সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলে চাল আমদানিও হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টন। এটা যুক্ত করা হলে উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫২ লাখ টন, যেটা পরবর্তী বছর জের হিসেবে উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা। অঙ্কের হিসাবে এই পরিমাণ বছরের উৎপাদনের ২৫ শতাংশেরও বেশি। এ ধরনের মোটাসোটা জের-পরবর্তী বছরে যুক্ত হলে সাধারণভাবে মজুদ নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ থাকে না; পরবর্তী বছর ১০ শতাংশ উৎপাদন ঘাটতি হলেও তা সামলে নেওয়া সহজেই সম্ভব। অথচ মজুদের এই স্বাস্থ্যকর অবস্থা সত্ত্বেও মহার্ঘ মূল্যে এই দুঃসময়ে চাল আমদানি চালিয়ে নিতে হচ্ছে; চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ টন আমদানি হয়ে গেছে, পাইপ লাইনে আরও আছে। তাহলে এই গবেষণার ফল আমরা কী কাজে প্রয়োগ করব?

খাদ্য অধিদপ্তরে চাকরির সময় কয়েকজন গবেষকের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। একবার এক গবেষক মডেল প্রয়োগ করে ধান, চাল ও গম সংগ্রহের বছরব্যাপী এক নির্ঘণ্ট তৈরি করে আনেন। তাতে দেখলাম যে, জুলাই ও আগস্ট মাস পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে গম সংগ্রহের এন্তেজাম করা হয়েছে। মে মাসের পর অভ্যন্তরীণ বাজারে দেশি গমের যে টিকিটি পর্যন্ত দেখা যায় না, সেটা বলার পর গবেষকরা পড়ে যান মহামুশকিলে; একদিকে মডেলের নির্ভুলতা, অন্যদিকে রূঢ় বাস্তবতা। পরে তারা কেমন করে যেন ম্যানুয়ালি সে আপদ অপসারণ করতে সক্ষম হন। এ জাতীয় উপযোগিতাÑশূন্য বহু গবেষণাপত্র খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটে খোঁজাখুঁজি করলে এখনো পাওয়া যাবে।

তবে এই জাতীয় প্রায়োগিক মূল্যহীন গবেষণা যে শুধু এ দেশে দেখা যায়, তা না। উন্নত অনেক দেশেও এগুলোর উপস্থিতি এন্তার। নেব্রাস্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু চিকিৎসা বিভাগে গবাদি পশুর মূত্রত্যাগের অভ্যাস সম্পর্কে একটি গবেষণা প্রকল্পে মার্কিন সরকার ৩ মিলিয়ন ডলার অনুদান প্রদান করে। এখানে গবেষকরা জানতে চান যে, নদী পার হওয়ার সময়, গরু নদীতে নামার আগে, না পার হওয়ার পর প্রস্রাব করে। পুরো অর্থব্যয়ের পর জানা গেল যে, প্রকল্পে নিযুক্ত অধিকাংশ পর্যবেক্ষক গরুগুলো কখন নীরবে মূত্রত্যাগ করেছে, তা ঠাহর করতে পারেননি। সুতরাং এ বিষয়ে কিছু জানতে আরও একটি প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রকল্পটি ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি অপচয়ের নিকৃষ্টতম উদাহরণ হিসেবে সিনেটর প্রক্সমায়ার স্মারক পুরস্কারে ভূষিত হয় (আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি, আকবর আলি খান, পৃষ্ঠা : ১৬৬)।

এখন আমাদের বেশি প্রয়োজন প্রায়োগিক মূল্যমানসম্পন্ন গবেষণা; চাহিদা ও সম্পদের জোগানের ভিত্তিতে পরিচালিত গবেষণা। বিষয় হবে স্বল্পব্যয়ে স্বল্প সময়ে অধিক মানসম্পন্ন ও ক্রেতাদের মনোহরণ করেÑএমন নতুন নতুন পণ্য উদ্ভাবন ও সেগুলোর বিপণন এবং নতুন নতুন বাজার অনুসন্ধান; আমরা রপ্তানি বাড়াতে চাই, কিন্তু পর্যাপ্ত পণ্য ও গন্তব্য নেই। দক্ষতার চাহিদা ও তার পরিবর্তন-প্রবণতা নির্ধারণ এবং সে অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে পাঠ্যক্রম প্রবর্তন ও সংশোধন; আধুনিক শিল্প-কারখানা ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উচ্চশিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধ এবং চাহিদাবিহীন ডিগ্রি-সর্বস্ব শিক্ষার ব্যয় সংকোচ একটি জরুরি গবেষণার ক্ষেত্র। আমাদের রয়েছে অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রচুর উচ্চশিক্ষিত বেকার। অথচ তাদের বাদ দিয়ে বহু দেশি প্রতিষ্ঠানই বিদেশি লোকবল নিয়োগ দেয়, যার জন্য বছরে ৭-৮ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে চলে যায়। এর কারণ ও প্রতিকার বের করা দরকার। অবহেলিত ও স্বল্প-কর্ষিত ক্ষেত্রগুলোর সম্ভাবনা যাচাইকরণ আরেকটি ক্ষেত্র হতে পারে; আমরা সমুদ্রে বিপুল সম্পদের মালিকানা পেয়েছি, কিন্তু এখনো তা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। এ রকম আরও অনেক ক্ষেত্র রয়েছে যেগুলোতে গবেষণা পরিচালনা দেশের জন্য নবদিগন্তের সূচনা করতে পারে। এজন্য শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণায়ও বরাদ্দ বাড়াতে হবে। শিক্ষা খাতে ক্ষেত্রে ইউনেসকোর সুপারিশ জিডিপির ৬ শতাংশ; আর আরঅ্যান্ডডি খাতে বোদ্ধাদের দাবি ১.৫ শতাংশ।

তবে এসব গবেষণার ফলাফল যাতে কাজে লাগে, গবাদি পশুর মূত্রত্যাগবিষয়ক গবেষণার মতো এর অর্থ যাতে জলে না যায়, তার জন্য উপযুক্ত দিকনির্দেশনা প্রণয়ন করতে হবে এবং তা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। সেই সঙ্গে আংকেল শ্যামের আদলে প্রতি বছর দশটি উৎকৃষ্ট ও দশটি নিকৃষ্ট গবেষণার তালিকা প্রণয়ন করে গবেষকদের পুরস্কৃত ও তিরস্কৃত করার ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। আর গবেষণাকে সমৃদ্ধ ও টেকসই করতে বেসরকারি সেক্টরে তার সম্প্রসারণ ঘটাতে এবং পৃষ্ঠপোষকতা বাড়াতে ব্যবস্থা নিতে হবে। ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের গণ্ডি থেকে বের হয়ে স্নাতক হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পটভূমিতে এ বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের দাবি রাখে। দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়ন পরিক্রমা এ ক্ষেত্রে আমাদের পাথেয় হিসেবে কাজ করতে পারে। এ কাজে কোরিয়ার মতো সরকারকেই বন্ধু, দার্শনিক ও পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করতে হবে।

লেখক: খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও কলামিস্ট

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত