প্রতারণার মাধ্যমে জোর করে ব্যক্তি মালিকানাধীন ও সরকারি জমি দখলের পাশাপাশি বন, নদী, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে হুমকির মুখে ফেলে বরগুনায় বেসরকারি উদ্যোগে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হয়েছে।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা, নদীরক্ষা কমিশনের আপত্তি, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা, পরিবেশবাদীদের বিরোধিতা কোনো কিছুই আটকাতে পারেনি এ কেন্দ্রের নির্মাণকাজ। বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর পর কেন্দ্রে ব্যবহৃত কয়লা খোলা নৌযানে পরিবহন করা হচ্ছে। এত কিছুর পরও গত ১৯ জানুয়ারি এ প্রকল্পের স্ট্যাম্প ডিউটিবাবদ ১ হাজার ২৩ কোটি ৭২ লাখ ২০ হাজার ৬১৮ টাকার কর মওকুফ করেছে সরকার।
সূত্রমতে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) কেন্দ্রটি থেকে ২৫ বছরের জন্য বিদ্যুৎ কিনতে ২০১৭ সালের এপ্রিলে চুক্তি করে। বরগুনার তালতলী উপজেলার বিষখালী, পায়রা ও বলেশ^রের মোহনায় নদীর প্লাবন ভূমি দখল করে নির্মিত এ কেন্দ্রটি গত ১ জানুয়ারি থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিডিবির দায়িত্বশীল সূত্রমতে, চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রটি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হলেও ভূমিসংক্রান্ত জটিলতা এবং নদীরক্ষা কমিশনের আপত্তির কারণে বাণিজ্যিক উৎপাদনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। জটিলতা নিরসন হওয়ার পর ১ জানুয়ারি থেকেই কেন্দ্রের মালিককে উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম পরিশোধ করা হবে।
একাধিক সূত্র জানায়, অবৈধ দখলকৃত জমি কীভাবে বৈধ করা যায় সে জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে কেন্দ্রের মালিক। বিষয়টি সুরাহা করতে সম্প্রতি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের একটি সভাও হয়েছে।
চীনের পাওয়ার চায়না রিসোর্স লিমিটেড এবং বাংলাদেশের আইসোটেক গ্রুপের সহাযোগী প্রতিষ্ঠান আইসোটেক ইলেকট্রিফিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে বরিশাল ৩০৭ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হয়েছে। কিন্তু পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের দৈনিক পরিচালন প্রতিবেদনে বিসিপিসিএল বা বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডকে কেন্দ্রটির উৎপাদক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কেন্দ্রটি বিসিপিসিএল নয় বলে নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা।
প্রকল্পের শুরুতে এ কেন্দ্রের ৪ শতাংশ মালিক দেশীয় প্রতিষ্ঠান আইসোটেকের এমন তথ্য জানানো হলেও এখন তাদের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। বনানীতে তাদের যে অফিস ছিল সেটিও বন্ধ পাওয়া গেছে। এমনকি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল আলমের মোবাইল নম্বরটি দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে বন্ধ। তবে একাধিক সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পুরো মালিক এখন চীনা কোম্পানি চায়না রিসোর্স।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে কেন্দ্রটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ঝাও জিংকে ফোন করা হলে তিনি ইমেইলে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। পরবর্তীকালে তথ্য চেয়ে ইমেইল করার পর প্রায় এক মাস অপেক্ষা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কেন্দ্রটির অংশীদার এবং তাদের কর্মকা- নিয়েও তৈরি হয়েছে এক ধরনের ধোঁয়াশা। বিষয়টি জানতে পিডিবির একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের কার্যালয়ে গিয়ে এবং মোবাইলে একাধিকবার ফোন করেও তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
নদীর জমি দখল করে নির্মিত এ কেন্দ্রের বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় নদীরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বছর তিনেক আগে জাতীয় নদীরক্ষা কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান সরেজমিন পরিদর্শন শেষে নদীর জমিতে নির্মাণাধীন ওই কেন্দ্রের নির্মাণ বন্ধের সুপারিশ করেন। কিন্তু তারা আমাদের কথা না শুনে সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে। শেষ পর্যন্ত তারা যখন এ কেন্দ্র আনুষ্ঠানিক চালু করবে তখন কমিশনের অনুমোদন নিতে এলে আমরা টিম পাঠাই। সেখানে গিয়ে দেখা যায় তারা বেশ কিছু নদীর জমি দখল করে এ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। আমাদের কাছে যতগুলো কাগজ জেলা প্রশাসন থেকে পাঠানো হয়েছে, তার বেশিরভাগই নদীশ্রেণির। এগুলো বন্দোবস্তযোগ্য নয়। এখন পর্যন্ত যে কাগজ পেয়েছি তাতে প্রায় ১০০ বিঘা নদীর জমি রয়েছে। বাকি কাগজগুলো পেলে বোঝা যাবে সেখানে মোট কী পরিমাণ নদীর জমি আছে।’
তিনি বলেন, ‘দেশে কলকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র হোক এটা আমরাও চাই। কিন্তু নদী দখল করে নয়। যদি আমরা প্রমাণ পাই কোথায় নদী কিংবা জলাভূমি দখল করে কোনো স্থাপনা গড়ে উঠেছে, সে ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই। সেটা হোক ৫ হাজার বা ১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প। তা কোনো বিষয় নয়। এখানে আমরা অনড়। কারণ নদী আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদ্য বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিক হাঁস-মুরগি পালনের জন্য তাদের কাছ থেকে ১১.২৭ একর জমি লিজ নিয়েছিল। শর্ত ভঙ্গ করায় ওই জমির লিজ বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংযোগ সড়ক নির্মাণে আরও ৫৮.৩৯ একর জমি লিজ নিয়েছিল কেন্দ্রের মালিক। শর্ত ছিল সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ খাল বন্ধ না করে এই জমি ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু তারা সেই খাল ভরাট করে ফেলেছে। আমরা তাদের বলেছি খালটি যদি ঠিক করা না হয় তবে তাদের লিজ বাতিল করা হবে।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই পুরো জমি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যবহার হয়েছে।
২০২২ সালের মে মাসে টিআইবির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ৮১ একর জমির প্রয়োজন হলেও বরগুনার কেন্দ্রটিতে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে ৩১০ একর। প্রকল্পটিতে অতিরিক্ত অধিগ্রহণ করা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় প্রভাবশালী মহল, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ-প্রশাসনকে ম্যানেজ করে জোরপূর্বক ভূমিহীনদের উচ্ছেদ, সরকারি-বেসরকারি জমি দখলসহ হামলা-মামলা ও জাল দলিলের মাধ্যমে আইসোটেক ইলেকট্রিফিকেশন কোম্পানি লিমিটেড বিদ্যুৎকেন্দ্রের জমি অধিগ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে জমি অধিগ্রহণ ও ক্রয়বাবদ প্রায় ১৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ তুলেছে টিআইবি।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অধিগ্রহণকৃত জমির মধ্যে সরকারি খাস খতিয়ানের ১৬৫ একর, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রায় ৭০ একর, রাখাইন ও স্থানীয়দের ব্যক্তিমালিকানার ৫০ একরসহ ভূমিহীনদের নামে চাষাবাদের জন্য বন্দোবস্তকৃত খাসজমি, বিআইডব্লিউটিএ ও বন বিভাগের জমি রয়েছে।
কেন্দ্রের জমি ক্রয়-বিক্রয় ও দলিল তৈরিতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে নেমে এর সত্যতা খুঁজে পেয়েছে দুদক। এসব ঘটনায় জড়িত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের ৩৩ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় পটুয়াখালী দুদক কার্যালয়ে ১২টি মামলা করা হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় প্রতারক চক্রের পাশাপাশি তালতলী উপজেলা ভূমি অফিস, আমতলী উপজেলা রেজিস্ট্রি অফিস এবং বগি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
স্থানীয় রাখাইন অধিবাসী চোথাই ফ্রু মাতুব্বর জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের জন্য কেন্দ্রের মালিকের কাছে পাঁচ একর জমি বিক্রি করেন তিনি। এর বাইরে আরও ২০ একর জমি জোর করে দখল করে নেওয়া হয়েছে। এই জমির টাকা চাইতে গেলে তাকে নানারকম ভয়ভীতি দেখানো হয়। একপর্যায়ে আমতলী আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় ইসমাইল, চান মিয়া, সিদ্দিক, জালালসহ একাধিক ভূমিহীন অধিবাসী বলেন, প্রকল্পে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা থাকলেও তা না করে নামমাত্র এক থেকে দেড় লাখ টাকা দিয়ে জোর করে তাদের দীর্ঘদিনের বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। প্রতিবাদ করতে গিয়ে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছেন অনেকেই।
বিদ্যুকেন্দ্রগুলোতে ব্যবহৃত কয়লা ঢেকে পরিবহন করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও এ কেন্দ্রের কয়লা আনা হচ্ছে খোলা নৌযানে করে। গত ১১ মার্চ এ ধরনের আটটি বার্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশে নোঙর করে কয়লা খালাস করা হয়। এতে নদীদূষণ হওয়ায় মাছ ও জলজ প্রাণী হুমকির মুখে পড়েছে। পাশাপাশি সেখানকার সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নদী, বন ও পরিবেশের ক্ষতি বিবেচনায় শুরু থেকেই আমরা এ কেন্দ্রের বিরোধিতা করে আসছি। কেন্দ্রটি নির্মাণে নদীর জায়গা দখল করা হয়েছে। কেটে ফেলা হয়েছে বহু গাছ। নদী কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে লিখিত অভিযোগ দিয়ে কেন্দ্রটি বাতিলের দাবি জানিয়েছি। নদীরক্ষা কমিশন দুবার তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই থামানো যায়নি।’
তিনি বলেন, ‘তিনটি বড় নদীর মোহনায় এ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে যেটা ইলিশ “মাইগ্রেশনের” অন্যতম বড় রুট। নির্মাণকাজ শুরুর পরপরই ওই এলাকায় ইলিশ আসা বন্ধ হয়েছে। এখন নতুন করে কয়লা পরিবহন করছে উন্মুক্ত জাহাজে। ফলে বাতাসে কয়লার “ডাস্ট” উড়ে গিয়ে নদীদূষণ করছে। শুরু থেকেই অবৈধভাবে নির্মিত এ কেন্দ্রের কারণে মৎস্যসম্পদ ও মৎস্যজীবীদের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সুন্দরবনের খুব কাছে হওয়ায় এটি সুন্দরবনেরও ক্ষতি করবে। ইতিমধ্যে ওই এলাকার অসংখ্য জেলের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টেংরাগিরি বনের ৬.৪ কিলোমিটার দূরে, গোড়াপদ্মা উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী থেকে ১.৯ কিলোমিটার ও হরিণঘাটা ইকোপার্ক থেকে ৮.৫ কিলোমিটার পূর্বে কেন্দ্রটি নির্মিত হয়েছে। এ কেন্দ্রের কারণে প্রাকৃতিকভাবে ম্যানগ্রোভ বনভূমি তৈরির প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সøুইসগেট বন্ধ ও খাল ভরাটের কারণে জয়ালভাঙা খোট্টারচর এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় ফারইখাল ভরাট করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অম্যান্য করে সমুদ্রসৈকতের সন্নিকট থেকে বালু উত্তোলন করায় সৈকতের বালি সরে গিয়ে বন বিভাগের সৃজিত বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. নুরুল আমিন বলেন, ‘এ কেন্দ্রে কয়লা ব্যবহারের ফলে যে সালফার নিঃসরণ হবে তা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এতে টেংরাগিরি বনের জীববৈচিত্র্য ও বন ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি শব্দদূষণের কারণে এই এলাকায় পাখির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে।’
প্রকল্পটি থেকে মাত্র ৬.৫ কিলোমিটার দূরে আন্ধারমানিক ইলিশ অভয়ারণ্যে এবং ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রস্তাবিত দেশের পঞ্চম ইলিশ প্রজননকেন্দ্র। এ প্রজননকেন্দ্র থেকে বছরে ৫০ হাজার টন বাড়তি ইলিশ উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিষখালী, পায়রা ও বলেশ^রের মোহনায় গড়ে ওঠা বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের ফলে এ অঞ্চলের মৎস্যসম্পদ ও জেলেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
