ভিটামিন ডি শরীরের জন্য একটি অপরিহার্য ভিটামিন। ত্বক যখন সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসে তখন আমাদের শরীর ভিটামিন ডি তৈরি করে। মানুষের শরীরে প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ডি প্রয়োজন যা রোদ থেকেই পাওয়া যায়। এটি হাড়ের স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বাড়ায়। সুতরাং রোদকে উপেক্ষা করার আগে নিজেকে মনে করিয়ে দিন, আপনার কাছে কি দিনের জন্য পর্যাপ্ত ভিটামিন আছে?
কিভাবে বুঝবেন আপনার শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতি আছে কিনা?
রক্ত পরীক্ষা ছাড়া শরীরে ভিটামিন ডি স্বল্পতা আছে কিনা তা জানা যায় কিছু লক্ষণ দেখেই।
ধীর গতিতে ক্ষত নিরাময়ঃ
ভিটামিন ডি শরীরের ক্ষত নিরাময়ের ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। এমনকি ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যেও ভিটামিন ডি ক্ষত নিরাময়ের প্রক্রিয়া দ্রুত করে দেয়। তাই আপনার যদি সহজে ক্ষত নিরাময় না হয় তাহলে দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন এবং আপনার রক্ত পরীক্ষা করুন।
বিষন্নতাঃ
ভিটামিন ডি একজন ব্যক্তির মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে। শরীরে ভিটামিন ডি কম থাকার অন্যতম প্রভাব হলো হল বিষন্নতা। এমনকি গবেষণায় বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্কদের মেজাজে ভিটামিন ডি-এর প্রভাব পাওয়া গেছে।
ক্লান্তিঃ
তবে ভিটামিন ডি এর অভাবে মাথাব্যথা, ঘুমের অভাব এবং হাড়ের ক্রমাগত ব্যথা হয়ে থাকে। যার প্রভাবে কমে যেতে পারে শরীরে শক্তি স্তর। এতে করে ক্লান্তি, মানসিক অবসাদ দেখা দিতে পারে।
ক্রমাগত পিঠে ব্যথাঃ
ভিটামিন ডি শরীরের ক্যালসিয়াম শোষণের ক্ষমতা বাড়িয়ে হাড়কে শক্ত রাখে। যেহেতু এটি সরাসরি হাড়ের স্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত, তাই এর অভাব হাড়ের ক্ষতি করে যার ফলে ব্যথা অনুভূত হয়। এটি প্রমাণিত যে বাত, পেশী ব্যথা এবং ক্রমাগত পিঠে ব্যথাযুক্ত ব্যক্তিদের ভিটামিন ডি কম থাকে।