শারদীয়ার গহনা

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:২০ এএম

পূজার প্রতিটা দিনের সব আয়োজনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বাঙালি। হেঁসেল থেকে ড্রেসিং টেবিল হয়ে পূজা প্যান্ডেল। নাড়ু-মুড়কি থেকে শাড়ি-গহনা সবখানে চলছে পূজার আগে শপিংয়ের উত্তেজনা। ষষ্ঠী থেকে দশমী; পূজার এই পাঁচটা দিন ট্রেন্ড অনুযায়ী কী পরবেন আর কোন গহনায় সাজবেন জেনে নিন

ঋ মূলত অনলাইনে সক্রিয় টোটাল ফ্যাশন ব্র্যান্ড। শাড়ি, কুর্তি, ব্যাগ, স্কার্ফসহ ওমেন ফ্যাশনের সব আইটেম নিয়ে ঋ কাজ করছে। তবে বীজের গহনা ঋ-এর স্বকীয় ধারার কাজ। পূজার গহনা নিয়ে ঋ-এর স্বত্বাধিকারী ও ডিজাইনার মাধুরী সঞ্চিতা বলেন, ‘শুধুমাত্র প্রাকৃতিক উপাদান বীজ, মাটি, কাঠ, কড়ি ও সুতার সঙ্গে সোনা-রুপা, তামা, পিতল, লোহার মতো ধাতু দিয়ে বানানো গহনার জন্য দেশে একমাত্র প্রতিষ্ঠান। ঋ পুরো বছর ধরে গহনা বানায়। কোনো উৎসবকে কেন্দ্র করে এর আগে কখনো আলাদা করে ডিজাইন করেনি। তবে এই প্রথমবার ঋ শারদীয় দুর্গোৎসব সামনে রেখে গহনা ডিজাইন করেছে। প্রতিটি ডিজাইনে পাওয়া যাবে দুর্গোৎসবের আমেজ। এছাড়া ঋ-এর শাড়ি-কুর্তিও হতে পারে শারদীয় সাজের সেরা অনুষঙ্গ।

এবার দুর্গা মা আসছেন গজে চড়ে। শাস্ত্র মতে, দেবীর গজে আগমন, আসছে বছর ধনে-ধান্যে, শস্যবীজে সমৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। এবার তাই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জের বেশ কিছু পূজামন্ডপে দুর্গা প্রতিমার গলায়

থাকবে ঋ-এর বীজের মালা। এবারই প্রথম নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী বলদেব জিউর আখড়া ও শিবমন্দিরের পূজায়  দুর্গা প্রতিমার কপালে শোভা পাবে ঋ-এর সোনার টিপ। উল্লেখ্য, মোট তিনটি ডিজাইনের সোনার তৈরি টিপ ঋ-এর সিগনেচার প্রডাক্ট হিসেবে অনলাইনে খুব জনপ্রিয়।’

ত্রিনিত্রি

প্রতিটি উপলক্ষেই ত্রিনিত্রি আলাদা আলাদা গহনা নিয়ে আসে। এবার পূজায় বিভিন্ন ধরনের লকেটসহ মালা পাবেন। এ প্রসঙ্গে ত্রিনিত্রির স্বত্বাধিকারী ও ডিজাইনার অন্বেষা দত্ত বলেন, ‘যদিও ত্রিনিত্রির গহনায় প্রধান উপকরণ কাঠ থাকলেও এবার তার ব্যতিক্রম হয়েছে। এবার কাঠের পাশাপাশি, মাটি ও টেরাকোটার গহনা পাবেন। লকেটে নানাভাবে মা দুর্গার অবয়ব রয়েছে। সঙ্গে আছে পূজার ফুল, শঙ্খ, ধান, দূর্বা, তুলসি, শাখাপালাসহ নানা অনুষঙ্গ। কোনো গহনা হাতে আঁকা, কোনোটায় টেরাকোটায়। লকেটের সঙ্গে কড়ি, বিডস ও নানা ফেব্রিকসের মালা। পূজায় যেহেতু নানা রঙের ছড়াছড়ি সেহেতু রঙের ক্ষেত্রে লাল, সাদা, সবুজ, নীল এসব রংকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি হয়েছে। এছাড়া এবারের পূজার বিশেষ আকর্ষণ হলো পূজার ক্লাচ ব্যাগ। কালো ক্লাচের ওপরে নীল ব্যাকগ্রাউন্ডে দুর্গা, গণেশ, সরস্বতী ও লক্ষ্মীর অবয়ব আঁকা করা।’

রঙবতী

রঙবতীর এবারের আয়োজনের বিশেষত্ব হলো পলা সেট। বেশ কয়েকটি রঙে এই পলা পাবেন। রঙবতীর অন্যতম কর্ণধার ফাহমিয়া ইব্রাহীম জানান, ‘তাদের গহনাগুলো মূলত ব্রাস মেটালে তৈরি। এই মেটালটি তৈরি হয় কপার আর জিংকের সংমিশ্রণে। এছাড়া নানা ধরনের পাথরের গহনাও পাবেন। আছে মুক্তার গহনাও। রঙবতীর গহনার মধ্যে আছে নেকলেস, চোকার, কানের দুল, ব্রেসলেট, পায়েল, আংটি, নূপুর, বালা, খোঁপার কাঁটা ইত্যাদি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত