ত্বকে অ্যালার্জি সমস্যা হলে

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৩, ১২:২৩ এএম

ত্বকের অ্যালার্জির কারণে মৃদু চুলকানি থেকে শুরু করে প্রাণসংহারী অ্যানাফাইলেক্সিস পর্যন্ত হতে পারে। ত্বকের সাধারণ অ্যালার্জিক রোগগুলো হচ্ছে

কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস : ধুলাবালু, নিকেলের গহনা, উল বা কৃত্রিম তন্তুর পোশাক, প্রাণীর লোম, কোনো উদ্ভিদ, বিশেষ রাসায়নিকযুক্ত ক্রিম, লোশন, সাবান ইত্যাদির সংস্পর্শে এলে কারও ত্বক লাল হয়ে যায়, চুলকাতে থাকে, জ্বালা করে, জায়গায় জায়গায় ফুলে যায়। অনেক সময় সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিক্রিয়া না হয়ে ১২ ঘণ্টা থেকে তিন দিনের মধ্যে হতে পারে।

একজিমা : একজিমা সাধারণত শিশু বয়স থেকেই শুরু হয়। রাসায়নিক, ডিটারজেন্ট, ধুলাবালু বা পশুপাখির মলমূত্রের সংস্পর্শে এলে ত্বক লাল হয়ে যায়, শুষ্ক হয়ে পড়ে, কখনো ফেটে ফেটে যায় এবং চুলকায়।

আরটিকেরিয়া বা হাইভস : কোনো খাবার, ওষুধ বা পোকামাকড়ের কামড় থেকে এই সমস্যা হয়। অ্যানজিওইডিমা : ত্বকের গভীর অংশে প্রদাহ হলে তাকে বলে অ্যানজিওইডিমা। অনেক সময় আরটিকেরিয়া হিসেবে শুরু হয়ে অ্যানজিওইডিমাতে রূপ নিতে পারে। ফুলে যেতে পারে চোখমুখ।

কীভাবে নির্ণয় : প্রচলিত পদ্ধতিতে ত্বকে ছিদ্র করে সেখানে নানা ধরনের অ্যালার্জেনের নির্যাস দেওয়া হয় এবং কতক্ষণ পর ওই জায়গায় অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া শুরু হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণ করা হয়। কতটা জায়গা ফুলে গেছে বা লাল হয়ে গেছে, তা পরিমাপ করা হয়। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেও অ্যালার্জির নির্দেশক কিছু অ্যান্টিবডি শনাক্ত করা যায়। নাকের ভেতরের মিউকোসাল বা চোখের লাল ভাবের একটি শারীরিক পরীক্ষা করেও অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা যেতে পারে।

চিকিৎসা: উপসর্গিক চিকিৎসা হিসেবে অ্যান্টিহিস্টামিন এবং স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়ে থাকে। উপশম পেতে ঠান্ডা সেঁক, ঠান্ডা পানিতে চুবিয়ে রাখা, ক্যালামিন লোশন, গাঢ় ময়েশ্চারাইজার ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে। সাধারণত নানা মাত্রার স্টেরয়েড ক্রিম দ্রুত উপশম দেয়, তবে গুরুতর ক্ষেত্রে মুখে খাবার স্টেরয়েডও ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত