শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল কিছুতেই কমছে না। আর কোলেস্টেরল বাড়লে একই সঙ্গে ঝুঁকি বাড়ে স্ট্রোক ও হৃদরোগের। হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণই হলো উচ্চ কোলেস্টেরল। তাই সময় থাকতেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে দৈনন্দিন জীবনে অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হয় অনেক খাবার। তেল-ঝাল, ভাজাভুজি, মসলাদার খাবার থেকে একেবারেই দূরে থাকা জরুরি। নয়তো কোলেস্টেরল বাড়তেই থাকবে। এর পাশাপাশি রোজকার খাবারের তালিকায় কিছু খাবার যোগ করাও প্রয়োজন। এমন কিছু খাবার আছে, যেগুলো সকালের নাশতায় খেলে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে কোলেস্টেরলের মাত্রা।শরীরে মেদ কমাতে ওটস বা ওটমিল দারুণ কাজ করে। আবার ওটস খেলে দেহে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও হ্রাস পায়। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ফাইবার। এ ছাড়া ওটসে একেবারেই ক্যালোরি থাকে না। যা এলডিএল (খারাপ) কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি রাখে।
ডিম হল প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের পাওয়ার হাউস। যা আমাদের শরীরে স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। সকালের নাশতায় সেদ্ধ ডিম, স্ক্র্যাম্বল এগ, ডিমের স্যান্ডউইচ, ডিমের সালাদ খেতে পারেন।
বেরি জাতীয় ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবারে ভরপুর, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। বেরি খালিও খেতে পারেন। সকালের ওটমিলে বেরি মিশিয়ে খেতে পারেন। আবার বেরি দিয়ে স্মুদিও তৈরি করতে পারেন।
প্রোটিন এবং প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ টকদই অন্ত্র ভালো রাখে এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। বদহজম দূর করতেও সমানভাবে কার্যকর এই দই। ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএলের মাত্রা বাড়াতে দইয়ের ভূমিকা অপরিসীম। তাই প্রতিদিনকার নাশতায় রাখতেই পারেন দই।