নিজেদের ‘অস্তিত্ব রক্ষায়’ প্রয়োজন হলে ইরানের অভ্যন্তরে হামলা চালাবে ইসরায়েল। বুধবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বিদেশি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নেতানিয়াহু বলেন, “আমাদের বেঁচে থাকাই গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েলকে রক্ষা করতে যা যা দরকার, আমরা তাই করব, প্রয়োজনে হামলা চালাব।”
ইসরায়েল-ইরানের শত্রুতার ইতিহাস বেশ পুরনো। ১৯৭৯ সালে ইরানে বিপ্লবের পর সেখানে ধর্মীয় নেতাদের প্রভাবাধীন শক্তি ক্ষমতায় আসে। ইরানের সেই সব নেতারা ইসরায়েলকে বর্জন করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। ইসরায়েলের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করে দেশটি।
এদিকে ইসরায়েল তাদের অস্তিত্বের জন্য ইরানকে হুমকি হিসেবে দেখে। ইসরায়েল সব সময় বলে এসেছে ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত হবে না। ইসরায়েলের নেতারা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব দেখে উদ্বিগ্ন।
সেই উদ্বেগ যে এখনো আছে সেটি বোঝা যায় নেতানিয়াহুর কথায়, “ইসরায়েলের জন্য ইরান বড় হুমকি। তাদের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে রক্ষা পেতে আমরা প্রস্তুত।”
ইরানকে চাপে রাখতে ইসরায়েল এখন আরব বিশ্বের দিকে ঝুঁকছে। তাদের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক তৈরি করতে চান প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।
“আরবের দেশগুলো বুঝতে পারছে ইসরায়েল তাদের শত্রু নয়, প্রকৃত সঙ্গী। চরমপন্থিদের বিরুদ্ধে আরব বিশ্বের সঙ্গে ইসরায়েলের নতুন সম্পর্ক তৈরি হবে” যোগ করেন তিনি।
