অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ওলে গানার সোলসকায়েরের অধীনে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের শুরুটা স্বপ্নের মতো হলো। হোসে মরিনহো-উত্তরযুগে প্রথম ম্যাচেই দারুণ সফল তারা। শনিবার রেড ডেভিলরা কার্ডিফ সিটির মাঠে ৫-১ গোলের বিশাল জয় পেয়েছে। লিনগার্ডের জোড়া, অ্যান্থনি মার্সিয়াল, আন্দের হেরেরা ও মার্কাস রাশফোর্ডের গোলে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন যুগের পর এই প্রথম এত বড় জয় পেল ম্যানইউ। প্রতিপক্ষের জালে তারা শেষবার পাঁচ গোল দিয়েছিল ফার্গুসনের বিদায়ী ম্যাচে, ২০১৩ সালে। ওয়েস্টব্রুমের সঙ্গে ৫-৫ ব্যবধানে ড্র হয়েছিল সেই লড়াই। তারপর একবারও নিজেদের চেনারূপে ফিরতে পারেনি রেড ডেভিলরা। এতদিন পর ফার্গুসনের শিষ্যই ম্যানইউকে গুরুর সময়কার সাফল্য এনে দিলেন। শনিবারের ম্যাচ শেষে তাই প্রশংসায় ভাসছেন ক্লাবটির ১৯৯৯ চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের নায়ক সোলসকায়ের।
কার্ডিফে ম্যানইউর খেলা দেখে মনে হয়েছে পূর্ণ উদ্যোমে ফেরা দল। ৩ মিনিটে রাশফোর্ডের গোল থেকে ম্যাচের শেষ পর্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে তারা। এদিন সেরা একাদশে থাকা পল পগবাও যেন খোলসহীন। তাই ম্যাচ শেষে ফুটবলারদের প্রশংসা করলেন কোচ সোলসকায়ের। আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া শিষ্যদের নিয়ে এবার পয়েন্ট তালিকার ওপরের দিকে নজর দিচ্ছেন তিনি। লক্ষ্য মৌসুমের শেষ পর্যন্ত দলকে শীর্ষ চারে নিয়ে যাওয়া। বর্তমানে শীর্ষে থাকা লিভারপুলের চেয়ে ১৯ পয়েন্টে পিছিয়ে ম্যানইউ। তবে শীর্ষ চারের শেষ দল চেলসির সঙ্গে ব্যবধান ৮। সোলসকায়েরের বিশ্বাস ম্যাচ বাই ম্যাচ এগোলে এই দূরত্ব পার করা সম্ভব, ‘এখন আমাদের ম্যাচ ধরে এগোতে হবে। এর আগেও আমরা ৮-৯ পয়েন্টের দূরত্ব ধরে ফেলেছিলাম। তাই ম্যানইউর জন্য এটা অসম্ভব নয়। কিন্তু এখন ধাপে ধাপে যেতে হবে কারণ পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। আশার কথা আমি খুব ভালো একটা গ্রুপ পেয়েছি। যারা প্রথম দিনই আমার পরিকল্পনার অনেকটাই ধরতে পেরেছে। এটা খুবই ভালো দিক। এখন বাকি পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে।’