চাঁদের কক্ষপথে প্রথম পা রাখাদের একজন বিল অ্যান্ড্রাস মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানোর পক্ষে নন। এই পরিকল্পনাকে তিনি ‘বোকামি’ বলে মনে করেন।
১৯৬৮ সালে অ্যাপোলো-৮ এ নাসার তিন নভোচারী ফ্র্যাঙ্ক বোরম্যান, জিম লোভেল ও বিল অ্যান্ডার্স চাঁদের কক্ষপথে যান। তাদের কাজ ছিল চাঁদের ৭০ মাইল দূরে ঘুরে ঘুরে ভূ-দৃশ্যের নানারকম ছবি তুলে আনা।
কাজটি করতে গিয়ে তারা পৃথিবীর উদয়ক্ষণের চোখ জুড়ানো ছবিও তুলে আনেন। ২০ ঘণ্টার মতো সেখানে তারা সময় কাটান।
এই তিনজন কক্ষপথ থেকে ফিরে আসার এক বছর বাদে চাঁদের বুকে সফলভাবে পা রাখেন নিল আর্মস্ট্রং, এডউইন অলড্রিন এবং মাইকেল কলিন্স।
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানোর একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় নভোচারীদের মঙ্গল গ্রহে নিয়ে গিয়ে আর ফেরত আনা হবে না। আজীবনের জন্য সেখানে তাদের রেখে আসা হবে। ব্যতিক্রমী এ প্রকল্পটির নাম ‘হান্ড্রেড ইয়ার্স স্টারশিপ’।
৮৫ বছর বয়সী বিল অ্যান্ডার্স বলছেন, এই পরিকল্পনা পুরোপুরি ‘হাস্যকর’।
“এসব হাস্যকর কাজের দরকার কী? কে ঠেলাঠেলি করছে?” প্রশ্ন রেখে বিবিসি রেডিওকে তিনি বলেন, “সেখানে যেতে মানুষ আগ্রহী বলে আমার মনে হয় না।”
