মহাকাশ থেকে প্রায় সাত মাস পর পৃথিবীতে ফিরে হাঁটতে সমস্যা হচ্ছে এক নভোচারীর।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, এজে ফুয়েস্টল নামের ওই ব্যক্তি নাসার একটি প্রকল্পে কাজ করেন। ১৯৭ দিন পর পৃথিবীতে ফিরে মধ্যাকর্ষণ শক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে তার।
নাসার অভিযান ৫৬’র কর্মকর্তা ফুয়েস্টল। চলতি বছর ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার রিকি আর্নল্ডের সঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে কাজ করতে যান।
মহাকাশ স্টেশনে যারা কাজ করেন, তাদের জীবনযাপন পৃথিবীর থেকে অনেক আলাদা হয়। ভরশূন্য পরিবেশে ঘুমানোর সময় স্লিপিং ব্যাগের সঙ্গে নিজেকে বেঁধে নিতে হয়। সেখানে দিনরাত বলে কিছুই নেই। ঘুমানোর একটা নির্দিষ্ট সময় থাকে।
ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশচারীদের জন্য। পৃথিবীতে তিন ধরনের পেশি অভিকর্ষের বিপরীতে কাজ করে। এদেরকে অ্যান্টি গ্র্যাভিটি পেশি বলা হয়। এই অ্যান্টি গ্র্যাভিটি পেশিগুলো হলো মেরুদণ্ডের পেশি, উরুর সামনের পেশি এবং হাঁটুর পেছনের পেশি। পৃথিবীতে চলাফেরা করতে এই পেশিগুলো সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
কিন্তু মহাকাশে জিরো গ্র্যাভিটিতে চলাফেরায় এই পেশিগুলোর ব্যবহার করা হয় না বললেই চলে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম না করলে এই পেশিগুলো ধীরে ধীরে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। মহাকাশচারীরা যখন পৃথিবীতে ফিরে আসেন, তখন অভিকর্ষের কারণে প্রচণ্ড পেশির টান অনুভব করেন।
