নির্বাচন দোরগোড়ায়। কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের তরুণ ভোটাররা অপেক্ষায় আছেন পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। তারা চান, একটি স্থিতিশীল সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা। তাদের অপছন্দ বর্তমান সময়ের এই সংঘাতময় রাজনীতি। এসব পূরণে যিনি কাজ করবেন তাকেই ভোট দেবেন তারা।
পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা, এবারের নির্বাচনে এই নতুন প্রজন্মের ভোটাররা নির্বাচনী ফলাফলে একটা বড় ‘ফ্যাক্ট’ হয়ে দাঁড়াবেন। তারা যেদিক ঝুঁকবেন, সেদিকেই নিশ্চিত বিজয় হবে। আর এই বিষয়টি অনুধাবন করে বড় দুটি দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তরুণ এসব ভোটারকে প্রধান্য দিয়ে নির্বাচনী ক্যাম্পিংও সেরে নিচ্ছেন।
তথ্যপ্রযুক্তির যুগের এই তরুণ ভোটারদের বড় একটি অংশ মুঠোফোন ও ফেইসবুক ব্যবহারকারী হওয়ায় নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা খুদে বার্তা এবং ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে ভোট প্রার্থনা করছেন।
কিন্তু যাদের নিয়ে এত ভাবনা, সেই নতুন প্রজন্মের ভোটাররা কি ভাবছেন তাদের ভোটাধিকার নিয়ে? এ বিষয়ে কথা হয় হাজি আসমত কলেজ ও জেড রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া শিক্ষার্থী রাহমানিয়া আসিফ, নাইম আহমেদ, ফাহাদ, শামীম রহমান জয় আর শিহাব মেরাজের সঙ্গে। তারা দেশ রূপান্তরকে জানান, বর্তমান সময়ের এই সংঘাতময় রাজনীতি তারা কিছুতেই পছন্দ করছেন না। একটি স্থিতিশীল সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা তারা চান। আর চান মাদকমুক্ত সমাজ। এইসব পূরণে যিনি বা যারা কাজ করতে পারবেন, তাকেই তারা ভোট দেবেন।’
কথা হয় সরকারি জিল্লুর রহমান মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী সিনথিয়া, রফিকুল ইসলাম মহিলা অনার্স কলেজের শিক্ষার্থী প্রিয়াংকা এবং তাবাসসুম শশীর সঙ্গে। তাদের ভাবনা, দেশের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান তৈরিতে যারা ভূমিকা রাখতে পারবেন, তাদেরই ভোট দিতে চান তারা।
