শীত এলেই অতিথি বা পরিযায়ী পাখির আগমনে মুখরিত হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাস। এ মৌসুমেও চিরাচরিত এই দৃশ্যের ব্যতিক্রম হয়নি। যথারীতি অতিথি পাখি দেখতে ঢল নেমেছিল দর্শনার্থীদেরও। এখানেই ঘটে বিপত্তি। প্রচুরসংখ্যক দর্শনার্থী, অতিরিক্ত কোলাহল, নির্দেশনা না মানা ও যত্রতত্র আবর্জনা ফেলায় অতিথি পাখির আনাগোনো কমে গেছে। গত তিন দিন ক্যাম্পাস ঘুরে গুটিকয়েক পাখি দেখা যায়। অথচ কদিন আগেও ক্যাম্পাসের লেকগুলোতে ছিল প্রচুরসংখ্যক পাখির উপস্থিতি। প্রশাসনিক ভবনের সামনে, ট্রান্সপোর্ট চত্বরের পেছনে ও সুইমিং সংলগ্ন লেকে অতিথি পাখির আনাগোনা থাকে সবচেয়ে বেশি। কিছুদিন আগেও লেকগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি দেখা যায়। তবে গত শুক্র, শনি ও গতকাল রবিবার দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। দিনের কিছু সময় অল্পসংখ্যক পাখি দেখা যায়। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, ‘বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর আগমনের কারণে কোলাহলে উত্ত্যক্ত হয়েই পাখিরা অন্যত্র সরে গেছে।’ সরেজমিন ঘুরে এই বক্তব্যের সমর্থন পাওয়া যায়।
ছুটির দিনগুলোতে লেকের পাড়ে থাকে দর্শনার্থীদের গাড়ির দীর্ঘ সারি। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই বাজানো হয় হর্ন।
