সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন

ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জরুরি: রাষ্ট্রপতি

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯, ০৭:৫৩ পিএম

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, প্রতি বছর হাজার হাজার ছেলেমেয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বের হচ্ছে। এসব মেধাবী ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জরুরি। এ জন্য সরকারের পাশাপাশি আপনাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্ববাণিজ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে সুবিধা আদায় করতে আমাদের জ্ঞানকৌশল ও দক্ষতা বাড়াতে হবে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের আরও বেশি ফলপ্রসূ অবদান রাখতে হবে।

বুধবার বিকেলে ২৪তম রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

দেশের ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে দেশি-বিদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ব্যবসায়ীদের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। নতুন নতুন পণ্যের বাজার সৃষ্টি করতে হবে। তবেই বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা সম্ভব।

বুধবার বিকেল ৩টায় বাণিজ্যমেলা উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান শেষে মেলার উদ্বোধনের ঘোষণা দেন রাষ্ট্রপতি। এরপর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পশ্চিম পাশের মাঠে আয়োজিত বাণিজ্য মেলার প্রধান গেটে ফিতা কেটে এই মেলার উদ্বোধন করেন তিনি।

মাসব্যাপী আয়োজিত এ মেলা চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। অন্যান্য বছরের মতো এবারও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) যৌথভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন করেছে।

মেলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেলায় কোনো সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে না। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে। প্রবেশ ফি ধরা হয়েছে ৩০ ও ২০ টাকা।

জানা গেছে, মেলায় সব মিলিয়ে ৫৫০ স্টল থাকছে। বাংলাদেশ ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, চীন, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ভুটান, নেপাল, মরিশাস, ভিয়েতনাম, মালদ্বীপ, রাশিয়া, আমেরিকা, জার্মানি, সোয়াজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও হংকং।

মেলায় বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক নজরদারি করবেন।

এ ছাড়া থাকছে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা। মেলার ভেতরে দর্শনার্থীদের জন্য খোলামেলা জায়গা থাকছে, যাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা স্বচ্ছন্দে ঘোরাঘুরি করতে পারেন। আর মেলার দুই প্রান্তে সুন্দরবনের আদলে ইকো পার্ক করা হয়েছে। থাকছে ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার (ডিজিটাল টাচ স্ক্রিন প্রযুক্তি), যার মাধ্যমে ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট স্টল ও প্যাভিলিয়ন অতি সহজে খুঁজে বের করতে পারেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত