ডেভিড ডি গিয়াকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ইতিহাসের সেরা গোলরক্ষক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত কোচ উলে গুনার সুলশার।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রোববার টটেনহ্যামকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। মার্কাস রাশফোর্ডের একমাত্র গোলে এসেছে সেই জয়। হোসে মরিনিয়োর বিদায়ের পর ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া সুলশারের দারুণ এক রেকর্ড হয়েছে তাতে। ম্যানইউয়ের কোচ হয়ে দায়িত্ব নিয়ে টানা ছয় ম্যাচ জয়ের কীর্তি হয়েছে এই কোচের।
তবে প্রথমার্ধে করা রাশফোর্ডের গোল, সুলশারের কীর্তি ছাপিয়ে সবার আলোচনায় ডেভিড ডি গিয়া। দ্বিতীয়ার্ধেই সব মিলে মোট ১১টি সেভ করেছেন এই স্প্যানিশ গোলকিপার। হ্যারি কেইন, ডেলে আলিদের দুর্দান্ত সব শট ঠেকিয়েছেন। ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের অন্য কোনো গোলরক্ষকের ৯০ মিনিটের ম্যাচে এতগুলো সেভ করার নজির নেই।
খেলোয়াড়ি জীবনে ইউনাইটেডে পিটার স্মাইকেল, এডউইন ফন দের সারের মতো কিংবদন্তি গোলরক্ষকদের সাঙ্গে খেলেছেন সুলশার। সেই তিনিই বলছেন, ‘‘এই ক্লাবে আমরা বেশ কিছু কিংবদন্তি গোলরক্ষককে পেয়েছি। আমি মনে করি সে (ডি গিয়া) ইতিহাসে এক নম্বর জায়গার জন্য এডউইন ও পিটারের সঙ্গে লড়াইয়ের সামর্থ্য রাখে।’’
‘‘আমাদের চার জন ভালো ভালো ডিফেন্ডার আছে। যাদের পেছনে ডেভিড (ডি গিয়া) ছিল অবিশ্বাস্য।
সুলশার আরো বলেন, ‘‘আমি কিছু দুর্দান্ত গোলরক্ষকের সঙ্গে খেলেছিল। আমাদের তাদের রাখা ঐতিহ্য ছিল। সেও বেড়ে উঠছে। সে এই ম্যাচে সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দাবি রাখে।’’
২০১১ সালে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ থেকে ইউনাইটডে পাড়ি দেওয়া ডি গিয়া অবশ্য এক ম্যাচে এর চেয়েও বেশি সেভ করেছেন। ২০১৪ সালে লিগে আর্সেনালের বিপক্ষে এক ম্যাচেই ১৪টি সেভ করেছিলেন এই ২৮ বছর বয়সী।
