টেলিনর গ্রুপের গবেষণা প্রতিবেদন

২০১৯ সালে ডিজিটাইজেশনে প্রভাব ফেলবে ৭ প্রযুক্তি

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ০১:১২ এএম

চলতি বছরের সাত উল্লেখযোগ্য ও সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গ্রামীণফোন। গত সোমবার রাজধানীর জিপি হাউসে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন টেলিনর রিসার্চের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিয়র্ন হ্যানসেন।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর একটি আলোচনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী মাইকেল পি. ফোলি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান রহমান রতন, ডাটাসফট ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড অ্যাসেম্বল ইন্স লি, পাঠাও সিইও হোসাইন ইলিয়াস, হেড অব আইসিটি বিজেনেস রেদওয়ান হাসান খান ও গ্রামীণফোনের হেড অব ডিজিটাল অ্যান্ড অ্যানালাইটিকস অপারেশন সোয়াইবা সারওয়াত সিনথিয়া।

টেলিনর গ্রুপের গবেষণা প্রতিষ্ঠান টেলিনর রিসার্চের বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা প্রতিবছর ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় ও বিশ্বজুড়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে এমন সাতটি প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছেন। এই সাত প্রযুক্তি হচ্ছে- ডিপফেক, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), ফাইভজির প্রসার, ইন্টারনেট অব থিংসের (আইওটি) ব্যবহার বৃদ্ধি, ভয়েস অ্যাক্টিভেটেড চ্যাটবটস এবং সচেতনতামূলক বিষয় যেমন- ডিজিটাল স্ক্রিনে থাকার সময়ের নিয়ন্ত্রণ ও মোবাইলচালিত গ্রিন টেকনোলজি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯ সালে লো-পাওয়ার ওয়াইড-এরিয়া (এলপিডব্লিউএ) ইকোসিস্টেমে ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইওটির মাধ্যমে প্রোটোটাইপ থেকে বৃহৎ পর্যায়ে কমার্শিয়াল ডেপ্লয়মেন্ট (বাণিজ্যিক স্থাপনা) ঘটবে। বৃহদায়তনে আইওটি শিল্প বিশেষ করে স্মার্টসিটি, শিল্প উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাত শিল্প যেমন- শিপিং, ট্রাফিক ও ট্রান্সপোর্ট মনিটরিং এবং ফিশারিজ গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, টেক্সট-নির্ভর চ্যাটবটস, ভয়েস-অ্যাক্টিভেটেড চ্যাটবটসে রূপান্তরিত হবে। বাসার প্রতিদিনকার কাজের রুটিনগুলো অত্যন্ত সহজে ভয়েস-অ্যাক্টিভেটেড চ্যাটবটস নির্ভর স্মার্ট ভয়েস-রিকগনিশনের নানা অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে করে ফেলা যাবে।

ডিজিটাল স্ক্রিনে টাইম নিয়ে সচেতনতা এবং মানুষের ওপর এর প্রভাব বিস্তৃত হচ্ছে। ২০১৯ সালে মানুষের স্ক্রিন টাইম ট্র্যাকিং অ্যাপ, ফোনে নাইট টাইম ও ডু নট ডিস্টার্ব মোড ব্যবহার বাড়বে।

২০১৭-১৮ সালে রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম, সাইকেল দিয়ে খাবার ডেলিভারি সেবা এবং ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহারসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ লক্ষ্য করা গিয়েছে। পরিবেশবান্ধব আরও বেশি নীতিমালা ও নতুন উদ্যোগের বিস্তৃতি ঘটবে বলে এ প্রতিবেদনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত