চেলসি কোচ মরিসিও সারি ধূমপান ছাড়া থাকতেই পারেন না। নাপোলির কোচ থাকাকালীন ম্যাচ চলা অবস্থায় ধূমপান করতেন তিনি। তার জন্য নাপোলির স্টেডিয়ামে আলাদা জায়গা ছিল। ওই সময় তার ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়, দিনে কমপক্ষে ৭০-৮০টি সিগারেট লাগে সারির। ঘণ্টায় ৪-৫টি। সারির ধূমপানের নেশা এমনই যে, একবার ইউরোপা লিগে নাপোলির একটি অ্যাওয়ে ম্যাচে তার জন্য আলাদা ধূমপানের ব্যবস্থা করেছিল জার্মানির আরবি লেইপজিগ কর্র্তৃপক্ষ।
চেলসির কোচ হয়ে ইংল্যান্ডের এসে বিপদে পড়ে যান এই ‘চেইন স্মোকার’। সেখানে কোনো স্টেডিয়ামে ধূমপানের ব্যবস্থা নেই। তাই ম্যাচের ৯০ মিনিট খুব কষ্টে কাটাতে হয় ইতালিয়ান কোচকে। ব্লুজদের হয়ে প্রথম ম্যাচে সিগারেটের প্যাকেট হাতে ডাগআউটে ছিলেন। ধূমপান করতে পারেননি অবশ্য। একদম দূরে থাকার চেয়ে প্যাকেট হাতে রাখাই শ্রেয় মনে করেছেন তিনি। অবশ্য চেলসি এতদিনে সারির জন্য কোনো ব্যবস্থা করেও ফেলেছে হয়তো।
কোচিংয়ে আসার আগে ব্যাংকার ছিলেন সারি। ইতালির একটি ব্যাংকের হয়ে লন্ডন, জুরিখ, লুক্সেমবুর্গ ও ফ্রাঙ্কফুর্টে চাকরি করেছেন। তবে ফুটবলের নেশা তাকে আবার মাঠে এনেছে।
