আ.লীগের মনোনয়ন

কিশোরগঞ্জে আশরাফের বোন লিপি ঢাকা উত্তরে আতিকুলই

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০৩:২৪ এএম

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে শূন্য হয়ে যাওয়া কিশোরগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনে তার বোন ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচনে বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলামের ওপরই ভরসা রেখেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। গতকাল শনিবার দলটির সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডে ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা শেষে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভোট হওয়ার কথা ছিল, আইনি জটিলতায় এক বছর পিছিয়ে সেটির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বেছে নেওয়া হলো আতিকুলকেই। গত বছর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে আগে নগরে যোগ হওয়া দুটি ইউনিয়ন বেরাইদ ও ভাটারার চেয়ারম্যানদের আবেদনে স্থগিত হয় ভোট। গত ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করা বিএনপি এরই মধ্যে এই নির্বাচনে আসবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে।

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় কিশোরগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনে আশরাফের ভাই শাফায়েতুল ইসলামও মনোনয়ন নেন। তবে আওয়ামী লীগ ভরসা রাখছে তার বোন লিপির ওপর। লিপি একজন চিকিৎসক। তিনি যুক্তরাজ্যে থাকতেন। তিনি দেশের ন্যাশনাল হেলথ সেন্টারে মনোবিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করতেন।

৩০ ডিসেম্বরের ভোটে বিপুল ভোটে জয়ী সৈয়দ আশরাফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাইল্যান্ডে মারা যান ৩ জানুয়ারি। তিনি শপথ না নেওয়ায় উপনির্বাচন নয়, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে হবে পুনর্নির্বাচন। যারা ফরম তুলেছেন তাদের মধ্যে আশরাফের ভাই শাফায়েত, বোন লিপি ছাড়াও আছেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ সাদী, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ছেলে রাসেল আহম্মেদ তুহিন, কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ আজিজুল হক এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহপাঠাগার সম্পাদক এম এ হান্নান।

ঢাকা সিটি করপোরেশন দুই ভাগে ভাগ করার পর ২০১৫ সালে প্রথম নির্বাচনে উত্তর অংশ থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী করে ব্যবসায়ী নেতা আনিসুল হককে। আগে রাজনীতি না করলেও নগর পরিচালনা করতে গিয়ে নগরবাসীর মনে জায়গা করে নিতে পেরেছিলেন আনিসুল। আসন্ন নির্বাচনে আরও যারা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন তারা হলেন ব্যবসায়ী আদম তমিজী হক, ইয়াদ আলী ফকির, সাবেক ছাত্রনেতা কুতুবউদ্দিন, কবি রাশেল আশেকী, মোহাম্মদ আরিফ হোসেন (আরেফিন মোল্লা), শহিদুল্লা ওসমানী, খায়রুল মজিদ মাহমুদ, সাখাওয়াত হোসেন এবং জামাল মোস্তফা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত