২২ হাউজিং কোম্পানি ভরাট কার্যক্রমে স্থিতাবস্থার নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৯, ০৪:২৯ এএম

ঢাকার পূর্বাচলের পাশে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় খালবিল, নদী, পুকুর ও জলাশয় ভরাটে ২৪টি হাউজিং কোম্পানির কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা জারির নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ। এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রবিবার এ আদেশ দেয়। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) সভাপতি ও আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এ আবেদনটি করেন।

যেসব কোম্পানির কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা জারির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো ইউনাইটেড পূর্বাচল ল্যান্ডস লিমিটেড, এজি প্রপার্টিস লিমিটেড, নাভানা রিয়েল এস্টেট, নীলাচল হাউজিং লিমিটেড, বাগান বিলাস, আদর্শ আইডিয়াল লিমিটেড, তেপান্তর হাউজিং, মেট্রোপলিটন ক্রিশ্চিয়ান কো-অপারেটিভ হাউজিং, গ্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল, নর্থ সাউথ হাউজিং, মনজিল হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, সিকদার রয়েল সিটি, কপোতাক্ষ গ্রীন সিটি, ডিভাইন হোল্ডিং লিমিটেড, শতাব্দী হাউজিং, স্বর্ণছায়া রিয়েল এস্টেট, ভিশন ২১ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, ওশান হেভেন লিমিটেড, এসএফএল চন্দ্রিমা লিমিটেড, বিশ্বাস বিল্ডার্স এবং ফেয়ার ডিল শিপিং লিমিটেড।

আদালত আদেশে স্থিতাবস্থা জারির পাশাপাশি গাজীপুরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কালীগঞ্জ থানার ওসিকে দুই মাসের মধ্যে আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন হলফনামা আকারে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পূরবী রানী সাহা। মনজিল মোরসেদ গণমাধ্যমকে জানান, সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন- ১৯৯৫ ও জলাধার সংরক্ষণ আইন-২০০০ এর বিভিন্ন বিধান অনুযায়ী খালবিল, নদী, পুকুর ও জলাশয় ভরাট নিষিদ্ধ। কিন্তু চূড়ান্ত কোনো অনুমোদন ছাড়াই এসব কোম্পানি বিভিন্নভাবে জলাশয় ভরাট করছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত